ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। ভাই আমার প্রস্নতা হল নামাজে হাত বাধার সঠিক নিয়ম কোনটা? যদি আমাকে একটু পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিতেন।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নামাযে হাত বাঁধতে হবে এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু কোথায় বাঁধতে হবে সে বিষয়ে গ্রহনযোগ্য কোন হাদীস পাওয়া যায় না। তবে সাহাবী এবং তৎপরবর্তী আলেমগণ কোথায় বাঁধতেন তা ইমাম তিরমিযী (রহ.) নিন্মেক্ত বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়। তিনি বলেন,
وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ يَرَوْنَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ يَمِينَهُ عَلَى شِمَالِهِ فِى الصَّلاَةِ. وَرَأَى بَعْضُهُمْ أَنْ يَضَعَهُمَا فَوْقَ السُّرَّةِ. وَرَأَى بَعْضُهُمْ أَنْ يَضَعَهُمَا تَحْتَ السُّرَّةِ. وَكُلُّ ذَلِكَ وَاسِعٌ عِنْدَهُمْ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী, তাবেয়ী ও পরবর্তী আহলে ইলমের কর্মধারা এমনই । অর্থাৎ তাঁরা নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখাকে নামাযের নিয়ম মনে করতেন। তাঁদের কতক নাভির উপরে এবং কতক নাভির নীচে রাখাকে উত্তম মনে করতেন। তবে উভয় পদ্ধতিই তাঁদের সকলের মতে বৈধ ছিল। (জামে তিরমিযী ২/৩৩, হাদীস-২৫২- এর আলোচনায়)। অর্থাৎ হাত বাধান দুটি পদ্ধতি সাহাবীদের থেকে প্রমাণিত। এক. নাভীর উপর। দুই. নাভীর নিচে। আপনি যে পদ্ধতিতেই আমল করেন সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। এ নিয়ে কারো থেকে অহেতুক বিতর্ক কাম্য নয়।
وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ يَرَوْنَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ يَمِينَهُ عَلَى شِمَالِهِ فِى الصَّلاَةِ. وَرَأَى بَعْضُهُمْ أَنْ يَضَعَهُمَا فَوْقَ السُّرَّةِ. وَرَأَى بَعْضُهُمْ أَنْ يَضَعَهُمَا تَحْتَ السُّرَّةِ. وَكُلُّ ذَلِكَ وَاسِعٌ عِنْدَهُمْ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী, তাবেয়ী ও পরবর্তী আহলে ইলমের কর্মধারা এমনই । অর্থাৎ তাঁরা নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখাকে নামাযের নিয়ম মনে করতেন। তাঁদের কতক নাভির উপরে এবং কতক নাভির নীচে রাখাকে উত্তম মনে করতেন। তবে উভয় পদ্ধতিই তাঁদের সকলের মতে বৈধ ছিল। (জামে তিরমিযী ২/৩৩, হাদীস-২৫২- এর আলোচনায়)। অর্থাৎ হাত বাধান দুটি পদ্ধতি সাহাবীদের থেকে প্রমাণিত। এক. নাভীর উপর। দুই. নাভীর নিচে। আপনি যে পদ্ধতিতেই আমল করেন সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। এ নিয়ে কারো থেকে অহেতুক বিতর্ক কাম্য নয়।