ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। স্যার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহঃ) (আল্লাহ্ উনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন), উনার লেখা ও কথায়, আলহামদুলিল্লাহ্ আমি অনেক অনুপ্রানিত হয়েছি। ১. স্যার সহিহ হাদিস থেকে বলেছিলেন …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। স্যার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহঃ) (আল্লাহ্ উনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন), উনার লেখা ও কথায়, আলহামদুলিল্লাহ্ আমি অনেক অনুপ্রানিত হয়েছি। ১. স্যার সহিহ হাদিস থেকে বলেছিলেন রাতে ঘুমানোর আগে কিছু নফল সালত পড়ে অন্তত ঘুমাতে। আমি রাত প্রায় ১১ টার দিকে ঘুমানোর আগে দুই দুই করে চার রাকাত অথবা অন্তত মাত্র দুই রাকাত নফল সালাত পড়ি। তারপর সবশেষে মাত্র ১ রাকাত বিতর পড়ি। শুধু মাত্র ১ রাকাত। তবে মাঝে মাঝে ১ রাকাত না পড়ে ৩ রাকাত বিতর পড়ি । দ্বিতীয় রাকাতে না বসে একটানা তিন রাকাত পড়ি অথবা দুই রাকাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে পড়ে এক রাকাত পড়ি। এইভাবে আমি অন্যান্য সহিহ হাদিসের উপরও আমল করি । আমার প্রশ্ন হল, এশার ফরজ ও সুন্নাত সালাত পড়া শেষ করে শুধু মাত্র ১ রাকাত বিতর পড়তে পারবো কি? কারন অনেক সময় কোন প্রয়োজন থেকে যায়। আর রাতের সালাত বা কিয়ামুল লাইল শেষ করে সবশেষে শুধু মাত্র ১ রাকাত বিতর পড়া যাবে কি? আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, বিতর সালাত ১ রাকাতও পড়া যায়। লেখা বড় হওয়ার কারণে আমি এইখানে হাদিসগুলা উল্লেখ করলাম না। ২. রুকুর পড়ে দু হাত তুলে দুয়া কুনুত পড়ার পড়ে মাসনূন দুয়া পড়া যাবে কি? যেমনঃ- আল্লাহর প্রশংশা, রাসুল (সাঃ) এর প্রতি সালাম ও দুরুদ, সেজদায় ও সালাম ফিরানোর আগে - পড়ে যে দুয়াগুলা পড়ি ইত্যাদি পড়া যাবে কি? আসসালামু আলাইকুম।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, আপনি রাহে বেলায়াত থেকে বিতর সংক্রান্ত আলোচনাটি পড়লে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দলীলসহ জানতে পারবেন। ৪১৩ নং পৃষ্ঠ থেকে শুরু (সর্বশেষ সংস্করণ)। সংক্ষেপে উত্তর হলো, বিতর সালাত রাসূলুল্লাহ সা. শেষ রাত্রে কিয়ামুল্লাইল আদায় করার পর পড়তেন। এটাই সবচেয়ে উত্তম। স্যার যেটা বলেছেন ঘুমানোর আগে পড়া এটা যারা শেষ রাত্রে উঠতে পারবে না তাদের জন্য। কোন নফল সালাত ছাড়া রাসূলুল্লাহ সা. এক রাকাত বিতর পড়েছেন বলে আমার জানা নেই। তবে এক রাকআত পড়ার অনুমতি সহীহ হাদীসে আছে। শুধু বিতর পড়লে অন্তত তিন রাকআত পড়াই ভাল বলে মনে হয়। দুআ কুনুত নিদিষ্ট কোন দুআ নয়। ঐসময় যে কোন দুআ পড়া যায়। অনেকগুলো দুআ এক সঙ্গেও পড়া যায়। আবারো বলছি আপনি রাহে বেলায়াতের বিতর অধ্যায় পড়ুন। আপনার সমস্যা আর থাকবে না।