QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম । মসজিদে থাকা ও খাওয়া যাবে কীনা। যদি যায় তবে কুরআন হাদিস দিয়ে যানাবেন ।

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
দাওয়াত ও তাবলিগ • প্রশ্ন #১১৭৬ • ভিউ: ১৮ • ১৮ এপ্রিল, ২০০৯

আসসালামু আলাইকুম । মসজিদে থাকা ও খাওয়া যাবে কীনা। যদি যায় তবে কুরআন হাদিস দিয়ে যানাবেন ।

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম । মসজিদে থাকা ও খাওয়া যাবে কীনা। যদি যায় তবে কুরআন হাদিস দিয়ে যানাবেন ।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সমজিদে থাকা ও খাওয়া জায়েজ। এই বিষয়ে অগনিত হাদীস বর্ণিত আছে। সেসব হাদীসে আমরা দেখতে পাই যে, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ সা. এর যুগে মসজিদে খেতেন এবং ঘুমাতেন কিন্তু কোন দিন তিনি নিষেধ করেন নি বা অপছন্দ করেন নি। নিচের হাদীস তিনটি দেখলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ১। عَنْ ابْنِ عُمَرَ
أَنَّهُ كَانَ يَنَامُ وَهُوَ شَابٌّ عَزْبٌ لَا أَهْلَ لَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلّ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু ওমর (রাঃ) অবিবাহিত যুবক ছিলেন, যিনি রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে মসজিদে ঘুমাতেন। সুনানু নাসাঈ, হাদীস নং ৭২২। শায়খ আলবানীসহ মুহাদ্দিসগণ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ২। عَبْدَ اللهِ بْنَ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ الزُّبَيْدِيَّ ، يَقُولُ : كُنَّا نَأْكُلُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ فِي الْمَسْجِدِ الْخُبْزَ وَاللَّحْمَ.
মসজিদে খাওয়া-দাওয়া করাও বৈধ। ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন হারেছ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর যামানায় মসজিদে রুটি ও গোশত খেতাম। সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদীস নং ৩৩০০; সহীহ ইবনু হিব্বান, হাদীস নং ১৬৫৭। শায়খ শুয়াই আরনাউত এবং শায়খ আলবানী রহিমাহুমাল্লহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। হযরত সাহল ইবনে সাদ রা. বলেন,
جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ بَيْتَ فَاطِمَةَ فَلَمْ يَجِدْ عَلِيًّا فِي الْبَيْتِ، فَقَالَ: أَيْنَ ابْنُ عَمِّكِ؟ قَالَتْ: كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ شَيْءٌ فَغَاضَبَنِي فَخَرَجَ فَلَمْ يَقِلْ عِنْدِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ لِإِنْسَانٍ: انْظُرْ أَيْنَ هُوَ، فَجَاءَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هُوَ فِي الْمَسْجِدِ رَاقِدٌ، فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ وَهُوَ مُضْطَجِعٌ قَدْ سَقَطَ رِدَاؤُهُ عَنْ شِقِّهِ وَأَصَابَهُ تُرَابٌ، فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ يَمْسَحُهُ عَنْهُ، وَيَقُولُ: قُمْ أَبَا تُرَابٍ، قُمْ أَبَا تُرَابٍ.
একদিন রাসূলুল্লাহ সা. হযরত ফাতেমার ঘরে এসে আলীকে (রা.) পাননি। জিজ্ঞেস করলেন, আলী কোথায়? ফাতেমা বললেন, আমাদের দুজনে মধ্যে কিছু রাগারাগি হয়েছে। ফলে তিনি রাগ করে এখানে বাইরে চলে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. একজনকে বললেন, তাকে একটু খুঁজে দেখ কোথায়। লোকটি এসে জানাল, আলী মসজিদে ঘুমিয়ে আছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এসে দেখলেন আলী শুয়ে আছেন। শরীর এক পাশ থেকে চাদর পড়ে গেছে। আর গায়ে ধুলো-বালি লেগে রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর গায়ের বালি ঝেঁড়ে দিচ্ছেন আর বলছেন আবু তোরাব উঠ উঠ। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৪৪১। উপরুক্ত হাদীসগুলো দ্বারা আমরা জানতে পারলাম মসজদে থাকা খাওয়া জাযেজ। সাহবীদের কর্ম।