ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম... পরিচ্ছদঃ ৩২. মুখমণ্ডলে মারার নিষেধাজ্ঞা ৬৪১৭। নাসর ইবনু আলী আল যাহযামী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম... পরিচ্ছদঃ ৩২. মুখমণ্ডলে মারার নিষেধাজ্ঞা
৬৪১৭। নাসর ইবনু আলী আল যাহযামী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আর ইবনু হাতিম বর্ণিত হাদীসেও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার ভাইকে প্রহার করে সে যেন তার চেহারা আঘাত করা থেকে বেঁচে থাকে। কেননা, আল্লাহ তাআলা আদম (আলাইহিস সালাম) কে তার নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। সহি মুসলিমের এই হাদিসটির ব্যাখ্যা কি? এখানে নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করা বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
৬৪১৭। নাসর ইবনু আলী আল যাহযামী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আর ইবনু হাতিম বর্ণিত হাদীসেও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার ভাইকে প্রহার করে সে যেন তার চেহারা আঘাত করা থেকে বেঁচে থাকে। কেননা, আল্লাহ তাআলা আদম (আলাইহিস সালাম) কে তার নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। সহি মুসলিমের এই হাদিসটির ব্যাখ্যা কি? এখানে নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করা বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। উক্ত কথাটির ব্যাখ্যা সম্পর্কে ইমাম নববী রহ. বলেন,
وَأَنَّ مِنْ الْعُلَمَاء مَنْ يُمْسِك عَنْ تَأْوِيلهَا ، وَيَقُول : نُؤْمِن بِأَنَّهَا حَقٌّ ، وَأَنَّ ظَاهِرهَا غَيْر مُرَاد ، وَلَهَا مَعْنَى يَلِيق بِهَا ، وَهَذَا مَذْهَب جُمْهُور السَّلَف ، وَهُوَ أَحْوَط وَأَسْلَم একদল আলেম উক্ত কথাটির কোন ধরণের ব্যাখা থেকে বিরত থেকে বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি এটা সত্য, তবে বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য নয়। নিশ্চয় এর একটি উপযোগী অর্থ আছে। এটাই অধিকাংশ সালাফদের (পূর্ববর্তী আলেমগণের ) মতামত। এটাই অধিকতর নিরাপদ ও সতর্কতাপূর্ণ কথা। যেসব আলেম কথাটির ব্যাখা করেন তাদের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন,
ااخْتَلَفَ الْعُلَمَاء فِي تَأْوِيله فَقَالَتْ طَائِفَة : الضَّمِير فِي ( صُورَته ) عَائِد عَلَى الْأَخ الْمَضْرُوب ، وَهَذَا ظَاهِر رِوَايَة مُسْلِم ، وَقَالَتْ طَائِفَة : يَعُود إِلَى آدَم ، وَفِيهِ ضَعْف ، وَقَالَتْ طَائِفَة : يَعُود إِلَى اللَّه تَعَالَى ، وَيَكُون الْمُرَاد إِضَافَة تَشْرِيف وَاخْتِصَاص كَقَوْلِهِ تَعَالَى : { نَاقَة اللَّه } وَكَمَا يُقَال فِي الْكَعْبَة : بَيْت اللَّه وَنَظَائِره . وَاَللَّه أَعْلَم . আলেমগণ কথাটির ব্যখ্যা সম্পর্কে মতভেদ করেছেন, কেউ কেউ বলেছেন, সর্বনামটি প্রহৃত ভাইয়ের দিকে ফিরবে (অর্থাৎ প্রহৃত ব্যক্তিকে প্রহারকারীর আকৃতিতে সৃষ্টি করা হয়েছে। ) সহীহ মুসলিমের বাহ্যিক বর্ণনা দ্বারা এটাই বুঝা যায়। আবার কেউ কেউ বলেছেন, আদমের আ. দিকে ফিরবে। তবে এটা দূর্বল মত। অন্য আরেকদল আলেম বলেছেন, সম্মানসূচকভাবে আল্লাহর দিকে সর্বনামটি ফেরানো হয়েছে। যেমন কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আল্লাহর উটনী । কাবা ঘরের ক্ষেত্রে বলা হয় বাইতুল্লাহ তথা আল্লাহর ঘর। আশা করি আপনি উত্তর পেয়েছেন।
وَأَنَّ مِنْ الْعُلَمَاء مَنْ يُمْسِك عَنْ تَأْوِيلهَا ، وَيَقُول : نُؤْمِن بِأَنَّهَا حَقٌّ ، وَأَنَّ ظَاهِرهَا غَيْر مُرَاد ، وَلَهَا مَعْنَى يَلِيق بِهَا ، وَهَذَا مَذْهَب جُمْهُور السَّلَف ، وَهُوَ أَحْوَط وَأَسْلَم একদল আলেম উক্ত কথাটির কোন ধরণের ব্যাখা থেকে বিরত থেকে বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি এটা সত্য, তবে বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য নয়। নিশ্চয় এর একটি উপযোগী অর্থ আছে। এটাই অধিকাংশ সালাফদের (পূর্ববর্তী আলেমগণের ) মতামত। এটাই অধিকতর নিরাপদ ও সতর্কতাপূর্ণ কথা। যেসব আলেম কথাটির ব্যাখা করেন তাদের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন,
ااخْتَلَفَ الْعُلَمَاء فِي تَأْوِيله فَقَالَتْ طَائِفَة : الضَّمِير فِي ( صُورَته ) عَائِد عَلَى الْأَخ الْمَضْرُوب ، وَهَذَا ظَاهِر رِوَايَة مُسْلِم ، وَقَالَتْ طَائِفَة : يَعُود إِلَى آدَم ، وَفِيهِ ضَعْف ، وَقَالَتْ طَائِفَة : يَعُود إِلَى اللَّه تَعَالَى ، وَيَكُون الْمُرَاد إِضَافَة تَشْرِيف وَاخْتِصَاص كَقَوْلِهِ تَعَالَى : { نَاقَة اللَّه } وَكَمَا يُقَال فِي الْكَعْبَة : بَيْت اللَّه وَنَظَائِره . وَاَللَّه أَعْلَم . আলেমগণ কথাটির ব্যখ্যা সম্পর্কে মতভেদ করেছেন, কেউ কেউ বলেছেন, সর্বনামটি প্রহৃত ভাইয়ের দিকে ফিরবে (অর্থাৎ প্রহৃত ব্যক্তিকে প্রহারকারীর আকৃতিতে সৃষ্টি করা হয়েছে। ) সহীহ মুসলিমের বাহ্যিক বর্ণনা দ্বারা এটাই বুঝা যায়। আবার কেউ কেউ বলেছেন, আদমের আ. দিকে ফিরবে। তবে এটা দূর্বল মত। অন্য আরেকদল আলেম বলেছেন, সম্মানসূচকভাবে আল্লাহর দিকে সর্বনামটি ফেরানো হয়েছে। যেমন কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আল্লাহর উটনী । কাবা ঘরের ক্ষেত্রে বলা হয় বাইতুল্লাহ তথা আল্লাহর ঘর। আশা করি আপনি উত্তর পেয়েছেন।