ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। ১২৮৫ নাম্বার উত্তরে যে চার রাকাত নামাজের কথা আছে, তা কি এক সালামেই পড়বো নাকি দুই রাকাত করে পড়বো। ঈশার পর আমরা যে দুই রাকাত সুন্নাত পড়ি সেটা কি তখন না পড়লেও হবে। এই চার রাকা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। ১২৮৫ নাম্বার উত্তরে যে চার রাকাত নামাজের কথা আছে, তা কি এক সালামেই পড়বো নাকি দুই রাকাত করে পড়বো। ঈশার পর আমরা যে দুই রাকাত সুন্নাত পড়ি সেটা কি তখন না পড়লেও হবে। এই চার রাকাতের পর শুধু এক রাকাত বিতির পড়লে কি হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যখন চার রাকআত পড়বেন তখন দুই রাকআত হয়ে যাচ্ছেই। না পড়লেও হবে এই প্রশ্ন তো অবান্তর। ্উক্ত চার রাকআতের পর এক রাকআত বিতর পড় হবে তবে সুন্নাত হলো আরো কিছু নামায পড়ে তার পর পড়া । নিচের হাদীসটি দেখুন: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ زَوْجِ النَّبِيِّ : وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَهَا فِي لَيْلَتِهَا فَصَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْعِشَاءَ ثُمَّ جَاءَ إِلَى مَنْزِلِهِ فَصَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ نَامَ ثُمَّ قَامَ ثُمَّ قَالَ نَامَ الْغُلَيِّمُ ، أَوْ كَلِمَةً تُشْبِهُهَا ثُمَّ قَامَ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَصَلَّى خَمْسَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ نَامَ حَتَّى سَمِعْتُ غَطِيطَهُ ، أَوْ خَطِيطَهُ ، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ
ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা, রাসূলুল্লাহ সা. এর স্ত্রী মায়মুনা রা. এর গৃহে রাত কাটালাম। সে দিন রাসূলুল্লাহ সা. তার কাছে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সা. ইশার (ফরজ) নামায পড়ে তার ঘরে আসলেন এবং চার রাকআত নামায পড়লেন। এরপর তিনি ঘুমালেন তারপর আবার উঠে নামায পড়লেন এবং বললেন, শিুশুটি ঘুমিয়ে পড়েছে। অত:পর তিনি আবার উঠলেন এবং আমিও তার সাথে উঠলাম এবং তাঁর বাম দিকে নামাযে দাঁড়ালাম। তিনি আমকে ডান দিকে দাঁড় করালেন এবং ৫ রাকআত নামায পড়লেন তার আবার দুই রাকআত পড়লেন (ফজরের দুই রাকআত সুন্নাত) এর আবার তিনি হালকা ঘুমালেন তারপর ফজরের নামাযের উদ্দে্শ্যে মসজিদে গেলেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৭। সুতরাং বিতর পড়ার আগে আরো কিছু নামায পড়বেন। আর না পড়লে বিতর তিন রাকআত পড়াই ভাল। আল্লাহ ভাল জানেন।
ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা, রাসূলুল্লাহ সা. এর স্ত্রী মায়মুনা রা. এর গৃহে রাত কাটালাম। সে দিন রাসূলুল্লাহ সা. তার কাছে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সা. ইশার (ফরজ) নামায পড়ে তার ঘরে আসলেন এবং চার রাকআত নামায পড়লেন। এরপর তিনি ঘুমালেন তারপর আবার উঠে নামায পড়লেন এবং বললেন, শিুশুটি ঘুমিয়ে পড়েছে। অত:পর তিনি আবার উঠলেন এবং আমিও তার সাথে উঠলাম এবং তাঁর বাম দিকে নামাযে দাঁড়ালাম। তিনি আমকে ডান দিকে দাঁড় করালেন এবং ৫ রাকআত নামায পড়লেন তার আবার দুই রাকআত পড়লেন (ফজরের দুই রাকআত সুন্নাত) এর আবার তিনি হালকা ঘুমালেন তারপর ফজরের নামাযের উদ্দে্শ্যে মসজিদে গেলেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৭। সুতরাং বিতর পড়ার আগে আরো কিছু নামায পড়বেন। আর না পড়লে বিতর তিন রাকআত পড়াই ভাল। আল্লাহ ভাল জানেন।