ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। কেমন আছেন ভাই? আমার মেজো ভাই প্রায় ৩-৪ বছর হয়েছে বিয়ে করেছে। তারা একে অপরকে আগে থেকেই পছন্দ করতো। ভাই একটি সরকারি চাকুরি করতো কিন্তু পরবর্ত…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। কেমন আছেন ভাই? আমার মেজো ভাই প্রায় ৩-৪ বছর হয়েছে বিয়ে করেছে। তারা একে অপরকে আগে থেকেই পছন্দ করতো। ভাই একটি সরকারি চাকুরি করতো কিন্তু পরবর্তীতে বেতনের অবহেলার কারণে চাকুরিটা ছেড়ে দেয়। অর্থাৎ সে তখন বেকার। তখনি-ই বিয়েটা পারিবারিক ভাবেই হয়েছে। বাবা মোহরানা ৪ লক্ষ টাকা ধার্য করেছে এবং তা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার উপহারসামগ্রী মেয়েকে দিয়েছে। বাকি থাকলো তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। যা এখনোও পরিশোধ করা হয় নি। কিন্তু মোহরানা ধার্য করার আগেই ভাই বাবাকে ১ লক্ষ টাকা ধার্য করতে বলেছিল। কিন্তু বাবা একমত হলেও মোহরানা ধার্যের সময় মেয়ে পক্ষের বাবা বেশি ডিম্যান্ড করার কারণে বাবা হয়তো বিষয়টা বুজতে না পেরে এই রকম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। বাবা খুব-ই নরম মনের মানুষ। ভাই এই বিষয়টা নিয়ে বাবার সাথে মন খারাপ করেছে। আমি তখন ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করেছিলাম। তাই বিয়ের বিধি-বিধান সম্পর্কে এতটা আমিও জানতাম না। তাও, আমার স্বল্প জ্ঞান দিয়ে তাদের বুঝানোর চেষ্টা করেছি। যাই হোক, আমরা যৌথ পরিবারে থাকি। যেখানে পর্দার বিষয়ে ভাবীরা সচেতন নয়। স্বাভাবিক ভাবেই কিছু দিন হাসি-খুশি সংসার হলেও, কিছু দিন পর ভাই ভাবীর মাঝে রাগ, অভিমান, জঘরার সৃষ্টি হয়। ভাবীও অনেক সময় রাগ করে মারাত্মকভাবে নিজেই নিজের ক্ষতি করতে চায়। ব্লেড দিয়ে হাত ও কাটে। ভাইও সে সময় বেকারত্ব জীবন কাটাচ্ছিল। এমতাবস্থায় তারোও মন খারাপ থাকতো বিধায় স্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভালো মতন কথা-বার্তাও বলতো না। এইরকম অবস্থা চলাকালীন সময়ে একদিন ভাবী একটি চিঠি লিখে বাসা থেকে না বলে তাদের বাসায় চলে যায়। এইরকম অবস্থা ভাই, ছোটবেলায় সিনেমা-নাটকে দেখতাম। আর এইবার বাস্তবে নিজ পরিবারে দেখলাম। খুব-ই দুঃখ লাগছে এই বিষয়গুলা দেখে। আমার বাবা-চাচারা ভাবীকে আনতে গেলে তারা বলেঃ- ছেলে কোন চাকরি পেলে ২ বছর পড়ে মেয়েকে দিবে। অনেক দিন যাবার পর মেয়ের বাবা আবার বলে, ছেলে, মেয়েকে নিয়ে থাকতে চাইলে, মেয়ের বাবার নিজস্ব একটা বাসা আছে সেইখানে থাকতে হবে, ছেলের পরিবারের সাথে থাকতে তারা দিবেই না। বিষয়টা আমার পরিবার, ভাইকে আর জানাই নি। কারন সে তা মানবে না বরং আরো রাগ করবে। ২ বছর তো হয়ে গেলো, ভাই অনেকবার বলছে, ভাবীর সাথে অন্য কোন ছেলের সাথে রিলেশন চলছে। মানুষও ভাবীকে অন্য ছেলের সাথে দেখেছে। কথাগুলার সত্যতা কতটুকু তা আমি জানি না। এমতাবস্থায়, এইসব জানার পর আমার ভাই ও পরিবার, এই সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছে না। কিন্তু, বাকি যে ৩,৫০,০০০ টাকা মোহরানা যা এখনো পরিশোধ করা হয় নি, তা আমার বাবার জন্য দেয়া খুব-ই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ভাই তো মাত্র নতুন একটা চাকরী পেয়েছে। তার পক্ষেও এত টাকা দেওয়া সম্ভব না। এখন আমার পরিবারের কি করা উচিত? মানুষ বলে, এমনেই চুপ করে বসে থাকো, তাদের প্রয়োজনে এমনিতেই সরে যাবে। কিন্তু আমি এই কথাটার সাপোর্ট করি না। আমি সবার ছোট ছেলে, আমার কথার মূল্যায়ন হয়তো সবাই দেয় না। আল্লাহ্ আমায় মাফ করুন। তাই আমি চাই, আপনি ভাই কুরআন-হাদিস অনুসারে সমাধান দেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভাল রাখুন। এই ধরণের বিয়েতে এমন ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। এখন যদি আপনার ভাই তাকে তালাক দেয় কিংবা তারা তালাকি নিয়ে নেয় তবুও মোহরানার টাকা আপনার ভাইকে দিতেই হবে। এটা শরয়ী আইন। তবে মেয়ে যদি তালাক নিয়ে নেয় আর মোহরানার টাকা ক্ষমা করে দেয় তা হলে আপনাদের টাকা দেয়া লাগবে না। আমার মনে হয় কিছুদিন অপেক্ষা করা ভাল, মেয়ে যদি না আসতে চাই তাহলে তারা মোহরানার দাবী ছেড়ে দিয়ে মেয়েকে তালাক নিয়ে নেবে। মনে রাখতে হবে বিয়ে হয়ে গেলে মোহরানা দেয়া বাধ্যতামূলক। তবে মেয়ে যদি মাপ করে দেয় তাহলে মাপ হয়ে যায়।