ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকুম মুফতি সাহেব। আমি কয়েক দিন যাবত বড় একটা সমস্যায় আছি। পরিচিত বড় আলেম নাই বলে আমার সমস্যার সমাধান খুজে পাচ্ছি না। সমস্যা হলো আমাদের মসজিদের ইমাম কিছু কিছু সূরায় ভুল করে। তার মতো…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম মুফতি সাহেব। আমি কয়েক দিন যাবত বড় একটা সমস্যায় আছি। পরিচিত বড় আলেম নাই বলে আমার সমস্যার সমাধান খুজে পাচ্ছি না। সমস্যা হলো আমাদের মসজিদের ইমাম কিছু কিছু সূরায় ভুল করে। তার মতো এত ভুল আমি অন্য কোনো ইমামের মাঝে পাইনি। একটা উদাহরন দেই:তিনি সূরা শামস এর শেষ আয়াতে বলেছিল ওয়ালা ইয়া খফুনা উক বা হা। (না) টা বাড়তি বলছে। তাকে অনেক ভুল ধরেছি, একটা ঠিক করলে আরেকটা বের হয়। তিনি আআসলে হাফেজ না। তাকে বলছি সূরা রিভিসন দেন। তিনি হয়তো দেন না আর নইলে তার মনে থাকে না। ঐদিন উপরোক্ত ষামস সূরার ভুল ধরে সব মুসল্লির সামনে অপমান করছি। যাতে শুধরাই। এরকম ইমামের পিছনে নামাজ পড়ার ইচ্ছা নাই। আমাদের পাশের গ্রামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে অনেকে বলে বাড়ির কাছের মসজিদ রেখে দুরের মসজিদে গেলে গুণাহ হবে। আবার কেউ বলে ইমামের নামাজ ভুল হলেও তোমার নামাজ হয়ে যাবে। অন্য মসজিদে গেলে খারাপ দেখা যায়। তো আমাদের মসজিদের ঐ ইমামের পিছনে বাধ্য হয়ে নামাজ পগতে হয়। নামাজ পপগা অবস্হায় শুধু সন্দেহ হয় যে এএর পপিছনে নামাজ হবে না। এখন আমি কি করি?একাকী নামাজ পড়া আমি পছন্দ করি না। এখন কি করব মুফতি সাহেব?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, আপনার জন্য প্রথম কাজ হলো উক্ত ইমাম সাহেবের পড়া কোন ভাল আলেমকে শোনানো। তিনি যদি মনে করেন, এভাবে পড়লে নামায হয় না, তাহলে আপনি কৌশলে মুসল্লিদের বিষয়টি বুঝান। যদি সমাধান হয় তাহলে তো ভাল আর যদি না হয় তাহলে আপনি অন্য কোন মসজিদে নামায আদায় করুন। এতে আপনার কোন গুনাহ হবে না বরং যাওয়ায় অপরিহার্য। একাকী নামায পড়বেন না। অন্য মসজিদ দূল হলেও সেখানে যাবেন।