ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুয়ালাইকুম, হুজুর আমি এমন একটা বিষয়ে দ্বিধাদন্ধে পরেছি যে এটার জন্য আমার ঈমান নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে। আমি আল্লাহর কাছে যে বিষয় নিয়ে দোয়া করি সেটাই বৃথা যায়। যা কিছু পেতে চাই তা নিয়ে দোয়…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম, হুজুর আমি এমন একটা বিষয়ে দ্বিধাদন্ধে পরেছি যে এটার জন্য আমার ঈমান নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে। আমি আল্লাহর কাছে যে বিষয় নিয়ে দোয়া করি সেটাই বৃথা যায়। যা কিছু পেতে চাই তা নিয়ে দোয়া করলে সেটা আর হয় না। মাঝখানে দোয়া করাই ছেড়ে দিয়েছিলাম কিন্তু রাহেবেলায়েত বই এ দেখলাম দোয়া করা পরিত্যাগ করা উচিত না। কিন্তু দোয়া করে লাভ কি? ধরুন সবাই কোন একটা চাকরির জন্য চেষ্টা করছে, চাকরি কার হবে? যে বেশি পরিশ্রম করেছে সেই, তাহলে এখানে দোয়ার ভূমিকা কি? আর যদি দোয়ার ভূমিকা থাকে তাহলে বিধর্মী কারো চাকরি হওয়ার কথা না। কারন তারা তো আল্লাহর কাছে দোয়া না করে অন্য কোথাও দোয়া করে, কিন্তু চাকরি তো সব ধর্মের পরিশ্রমি লোকেরাই পায়। আবার অনেক সময় শুনি ভাগ্যে যা আছে মানুষ তাই পায়, তাহলেও এখানে দোয়ার বিষয় আসছে না। এইসব কিছু আমার মনের ভিতড় দারুন যন্ত্রনা সৃষ্টি করে। অনুগ্রহ করে উত্তর দিবেন।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, পৃথিবী তার গতিতে চলবে। এখান আল্লাহ তায়ালা মুসলিম-অমুসলিম সকলকে রিযিক দান করবেন। মূল ফয়সালা হবে আখেরাতে। সুতরাং এখানে আল্লাহ মুসলিমকে রিযিক দেবেন আর অন্যদেরকে দেবেন না এটা ঠিক নয়। এমন হলে তো কিয়ামতে বিচারের দরকার ছিল না, বিচার দুনিয়াতেই হয়ে যাবে। এই পৃথিবীর ধন-সম্পদ আল্লাহ তায়ালার কাছে একটি মাছির ডানার পরিমান মূল্যেরও না।সুতরাং পৃথিবীকে তার গতিতে চলতে দিতে হবে। দ্বিতীয়ত আপনার দুআ সঙ্গে সঙ্গে কবুল হয়ে যাবে বিষয়টি এমন নয়। তবে দুআ কবুল হতে অনেক সময় সময় লাগে সুতরাং আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। যেমনটি আল্লাহ তায়লা সূরা আসরে বলেছেন। দুআর ভুমিকা অবশ্যই আছে। তবে তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হলো ধৈর্য। আপনি ধৈর্য ধরুন একদিন ফল পাবেন। হতে পারে আজকের কষ্টের বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা আখেরাতে আপনার জন্য বিরাট পুরুস্কার রেখে দিয়েছেন। আল্লাহ তো কুরআন শরীফে বলেছেন, তিনি মুমিনদের ধণসম্পদ নষ্টকরার দ্বারা, ভয় দ্বারা এমনকি জীবনে নিয়ে নিয়েও পরীক্ষা নেন। সুতরাং ভাই অস্থির হবেন না, সবর করুন। ্একদিন আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম প্রতিফল দিবেন ইনশাআল্লাহ।