ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুয়ালাইকুম, হুজুর আমি একটা মারাত্নক সমস্যার ভিতড় আছি। আমার বয়স ২৭, আমি অবিবাহিত এবং বেকারত্তের জন্য আপাদত বিয়ে করা সম্ভব না (পারিবারিক অবস্থানুযায়ী বেকারত্ব ঘুচলেও আমার মনে হয় আগামী ২/…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম, হুজুর আমি একটা মারাত্নক সমস্যার ভিতড় আছি। আমার বয়স ২৭, আমি অবিবাহিত এবং বেকারত্তের জন্য আপাদত বিয়ে করা সম্ভব না (পারিবারিক অবস্থানুযায়ী বেকারত্ব ঘুচলেও আমার মনে হয় আগামী ২/৩ বছরেও সম্ভব হবে না) এবং আমি আল্লাহর রহমতে কোন দিন কোন হারাম সম্পর্কেও জড়াইনি। কিন্তু মাঝে মাঝে যৌন-উত্তেজনার প্রকোপ এত বেশি হয় যে মাথা কাজ করে না, সেই সময় ইসলামি কঠিন আইন কানুনের জন্য বিশেষ করে জেনার কঠিন শাস্তির বিধানের জন্য আল্লাহকে পর্যন্ত দোষারোপ করি। আইন কানুন সব ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে ইচ্ছা করে, মনের ভিতড় নামাজ নিয়েও বিদ্রোহ জাগে মনে হয় নামাজ পড়ে কি হবে নামাজ আর পড়ব না এই ভাবে জিদ করে বসে থাকি। শেষে আবার মনে হয় এখন যদি মারা যাই তবে বেনামাজি হিসেবে মরতে হবে তখন আবার নামাজ পড়ি। মনে হয় আল্লাহ ধর্মীয় আইন দিয়ে আমাদেরকে শুধু কষ্ট দিচ্ছে অথচ দিব্যি যারা ইসলামি আইন মানে না তারা সারাজীবন জেনাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আবার ঠিকই অল্পবয়সে বিয়েও করে। মনের ভিতড় এই অবস্থা চলতে থাকে ঘুমানোর আগপর্যন্ত, ঘুম থেকে জাগার পর আবার আমি স্বাভাবিক তখন আর সেই বিশ্রী চিন্তা মাথায় থাকে না। কি ভাবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পারি।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, সমস্যা আমরা তৈরী করি আর দোষ দেই আল্লাহকে। আল্লাহ তায়ালাতো আমাদেরকে বলেন নি যে, কথিত এই পড়াশোনা শেষ না করে বিয়ে করা যাবে না। যদি বলেন, কর্মের সংস্থান নেই তাহলে বলবো সাতাশ বছর বয়সে চাকরী ছাড়া কি আর কোন কর্মের সংস্থান করা যায় না? আল্লাহ কি বলেছেন যে, বাংলাদেশের ৪০ বছর ধরে পড়াশোনার পর যে চাকুরী হবে তারপর বিয়ে করতে হবে? আবার আপনি লিখেছেন, কর্মসংস্থান হলেও পারিবারিক কারণে বিয়ে করা সম্ভব নয়? এর জন্যও কি আল্লাহ দায়ী? দায়ী তো পরিবার। ভাল করে বুঝুন, আল্লাহ তায়ালা বিয়ের কোন বয়স নির্ধারণ করে দেন নি। এবং নির্দিষ্ট কোন কর্ম করতে হবে তাও বলেন নি। আপনার বয়স ২৭ বছর আপনি যে কোন হালাল কাজ করে বিয়ে করতে পারেন। যদি পিতা-মাতা বিয়ে দিতে না চায় তবুও আপনি বিয়ে করতে পারবেন। তবে আপনার এখন করণীও হলো পিতা-মাতাকে বিষয়টি যে কোনভাবে বুঝানো। যদি তার বোঝে ভাল না বুঝলে কোন কর্মের ব্যবস্থা করে আপনি বিয়ে করে নেবেন। কথিত চাকুরী নামক কর্মসংস্থান আল্লাহ তায়ালা বাধ্য করেন নি। যাদের কথা আপনি বলছেন যে, তারা অল্প বয়েসে বিয়ে করে তারা কিন্তু চাকুরী নামক কর্মের পিছনে ঘুরছে না। আশা করি বুছতে পেরেছেন।