ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
সম্মানিত শায়েখ,আমি খুবই হতাশার মধ্যে আছি। কিছুদিন হল আমি ইসলামের দিকে আল্লাহর আনুগত্য করার জন্য ফিরে এসেছি। আমার যত খারাপ অভ্যাস বা কাজ ছিল তা আস্তে আস্তে ত্যাগ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু এরই …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
সম্মানিত শায়েখ,আমি খুবই হতাশার মধ্যে আছি। কিছুদিন হল আমি ইসলামের দিকে আল্লাহর আনুগত্য করার জন্য ফিরে এসেছি। আমার যত খারাপ অভ্যাস বা কাজ ছিল তা আস্তে আস্তে ত্যাগ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু এরই মাঝখানে আমি শয়তানের নেক সুরতের ধোকার মধ্যে পতিত হলাম। কত কষ্টদায়ক, জঘন্য যে এই ওয়াস ওয়াসা তা যদি আমি আপনাকে বোঝাতে পারতাম। আগে ওযু নিয়ে, নামাযের রাকাত নিয়ে, নামাযের কেরাত নিয়ে ওয়াস ওয়াসা হত, আলহামদুলিল্লাহ এখন আর ওগুলো হয়না। যত ওয়াস ওয়াসা কে আমি পাত্তা না দেই,এবং সেগুলো থেকে কাটিয়ে উঠি। নতুন করে আরেকটা বাসা বাধে। এইরকম আমার প্রায় ৬ মাস ধরে চলছে। আমার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীও মাঝে মাঝে রাগ করে। আমি প্রায় নিয়মিত জিকির করি, লা হাউলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ পড়ি। বিতাড়িত শঅয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। তার পরও আমার নফসের গোলামি থেকে এবং এই ওয়াস ওয়াসা থেকে নিজেকে সরাতে পারছিনা। আমার শুধু মনে হয় এটা মনে হয় নাপাক, এই আমার হাত বুঝি নাপাক। বার বার পা ধুতে ধুতে আমার পায়ে ঘা এর মত হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে মনে হয় আমার দ্বীন এত কঠিন এবং কষ্ট দায়ক তো নয়। এই সময়ে শুধু ধৈর্য ধরে আল্লাহর দয়ার আশায় রয়েছি। এবার প্রশ্নে আসি-
১.কিভাবে এই ওয়াসওয়াসা থেকে পুরো পুরি বের হব? অনেকে বলে ওয়াসওয়াসা কে পাত্তা না দিতে। যদি আমি পাত্তা না দেয় তাহলে দেখা যায় অনেক সময় নাপাকি লেগেছে কিনা এটা নিয়ে সন্দেহ হলে যদি সন্দেহ কে পাত্তা না দিয়ে ওই কাপড় পরে ইবাদাত করি এবং যদি সত্যিই নাপাকি লেগে থাকে যে বিষয়ে আমি শিয়র না তাহলে কি করব?
১.কিভাবে এই ওয়াসওয়াসা থেকে পুরো পুরি বের হব? অনেকে বলে ওয়াসওয়াসা কে পাত্তা না দিতে। যদি আমি পাত্তা না দেয় তাহলে দেখা যায় অনেক সময় নাপাকি লেগেছে কিনা এটা নিয়ে সন্দেহ হলে যদি সন্দেহ কে পাত্তা না দিয়ে ওই কাপড় পরে ইবাদাত করি এবং যদি সত্যিই নাপাকি লেগে থাকে যে বিষয়ে আমি শিয়র না তাহলে কি করব?
উত্তর
Published
জ্বী, ওয়াসওয়াসা বা সন্দেহকে পাত্তা দেওয়া যাবে না। নাপাকী লেগেছে কিনা সন্দেহ হলে মনে করবেন নাপাকী লাগেনি। যদি নাপাকী লাগার বিষয়ে নিশ্চিত হন তাহলেই কেবল পাক হবেন। সন্দেহ হলে, মনে করবেন সবকিছু ঠিক আছে। হাত পা সুন্নাত অনুযায়ী ৩ বার ধৌত করবেন, মনের ভিতর যতই সন্দেহ আসুক, তিন বারের বেশী ধৌত করবেন না। এগুলোর পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। আমরাও আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনার এই সমস্যা দূর করে দেন।