QA As Sunnah Q&A

এটা কি কোন হাদীসে আছে? রমজানের 30 দিনের 30 ফজিলত 1ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়। 2য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়। 3য় রমজানে = একজন ফিরিস্তা আবারও রো…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
বিবিধ • প্রশ্ন #১৬৪৫ • ভিউ: ৭১ • ৩১ জুলাই, ২০১০

এটা কি কোন হাদীসে আছে? রমজানের 30 দিনের 30 ফজিলত 1ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়। 2য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়। 3য় রমজানে = একজন ফিরিস্তা আবারও রো…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
এটা কি কোন হাদীসে আছে? রমজানের 30 দিনের 30 ফজিলত 1ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়। 2য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়। 3য় রমজানে = একজন ফিরিস্তা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়। 4র্থ রমজানে = রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ন সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 5ম রমজানে= মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়। 6ষ্ঠ রমজানে= ফিরিস্তাদের সাথে 7ম আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়। 7ম রমজানে= ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 8ম রমজানে =রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়। 9ম রমজানে= নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সাওয়াব দেওয়া হয়। 10ম রমজানে= রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়। 11তম রমজানে=রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়। 12তম রমজানে= হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে। 13তম রমজানে=হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে। 14তম রমজানে= হাশরের ময়দানে হিসাব-নিকাশ সহজ করা হবে। 15তম রমজানে = সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে। 16তম রমজানে= আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন । 17তম রমজানে= একদিনের জন্য নবীগনের সমান সা্ওয়াব দেওয়া হবে। 18তম রমজানে = রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়। 19তম রমজানে= পৃথিবীর সকল পাথর- কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে। 20তম রমজানে =আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়। 21তম রমজানে = রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়। 22তম রমজানে= হাশরেরা ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়। 23তম রমজানে= জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়। 24তম রমজানে = রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়। 25তম রমজানে= কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। 26তম রমজানে =40 বছর ইবাদতের সমান সা্ওয়াব প্রদান করা হয়। 27তম রমজানে= চোখের পলকে ফুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়। 28তম রমজানে= জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুন করা হয়। 29তম রমজানে= এক হাজার কবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়। 30তম রমজানে= পুরা রমজানের ফজিলত দ্বিগুন করা হয়।
উত্তর
Published
না, এটা হাদীস নয়। জাল-বানোয়াট কথা।
✅