ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। *আমি একটা ফটোকপির দোকানে কাজ করি। কম্পিউটার কম্পোজও করি। এখানে বিভিন্ন ভালো কাজের পাশাপাশি মন্দির উন্নয়নের দরখাস্ত টাইপ, পালাগানের পোষ্টার ডিজাইন, পূজার দাও…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। *আমি একটা ফটোকপির দোকানে কাজ করি। কম্পিউটার কম্পোজও করি। এখানে বিভিন্ন ভালো কাজের পাশাপাশি মন্দির উন্নয়নের দরখাস্ত টাইপ, পালাগানের পোষ্টার ডিজাইন, পূজার দাওয়াতপত্র, লটারি টিকেটসহ অনেককিছু ছাপাতে হয়। যা আমি করতে আমার মন থেকে সায় দেয়না। তবুও এলাকার মানুষ ফেরত দিতে পারিনা এক্ষেত্রে আমার আয় কি হালাল হবে?
*আমার কালার প্রিন্টার থাকা সত্বেও আমি ফটো প্রিন্টের কাজ করতে চাইনা। মাঝে মাঝে প্রার্থীর ছবি সহ নানা পরীক্ষার প্রবেশপত্র ছাপাতে হয়। অথবা অন্য দোকান বন্ধ থাকলে আমার নিকটাত্মীয় অথবা একান্ত কাছের মানুষগুলোর প্রয়োজনে ছবি ছাপাতে হয়। এক্ষেত্রে আমার আয় কতটা হালাল?
*আমার কালার প্রিন্টার থাকা সত্বেও আমি ফটো প্রিন্টের কাজ করতে চাইনা। মাঝে মাঝে প্রার্থীর ছবি সহ নানা পরীক্ষার প্রবেশপত্র ছাপাতে হয়। অথবা অন্য দোকান বন্ধ থাকলে আমার নিকটাত্মীয় অথবা একান্ত কাছের মানুষগুলোর প্রয়োজনে ছবি ছাপাতে হয়। এক্ষেত্রে আমার আয় কতটা হালাল?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মন্দির উন্নয়নের দরখাস্ত টাইপ, পালাগানের পোষ্টার ডিজাইন, পূজার দাওয়াতপত্র, লটারি টিকেটসহ অনেক কিছু ছাপানো এবং অন্যান্য না জায়েজ কাজ যেগুলো আপনি লিখেছেন সবই নি:সন্দেহ মন্দকাজে সহযোগিতা। আর আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন,(ولا تعاونوا على الإثم والعدوان) মন্দকর্ম ও সীমালংঘনের কাজে তো একে অপরকে সহযোগিতা করো না। সূরা মায়েদা, আয়াত নং ২। সুতরাং আপনি এই সব পেশা বাদ দিন, হালাল ও সচ্ছ পেশা গ্রহন করুন। আল্লাহ আপনাকে তাওফীক দিন।