QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম ১-আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়াতাআলা বিয়ের জন্য কোন বয়স নির্ধারন করে দেন নি। কিন্তু বাংলাদেশ সংবিধান এ ২১ বছর(ছেলে) ও ১৮(মেয়ে) নির্ধারন করেছে। অনুর্ধ ২১ এবং ১৮ যারা তারা যদি বিয়ে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবাহ-তালাক • প্রশ্ন #১৭৮ • ভিউ: ২০ • ২৫ জুলাই, ২০০৬

আসসালামু আলাইকুম ১-আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়াতাআলা বিয়ের জন্য কোন বয়স নির্ধারন করে দেন নি। কিন্তু বাংলাদেশ সংবিধান এ ২১ বছর(ছেলে) ও ১৮(মেয়ে) নির্ধারন করেছে। অনুর্ধ ২১ এবং ১৮ যারা তারা যদি বিয়ে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম ১-আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়াতাআলা বিয়ের জন্য কোন বয়স নির্ধারন করে দেন নি। কিন্তু বাংলাদেশ সংবিধান এ ২১ বছর(ছেলে) ও ১৮(মেয়ে) নির্ধারন করেছে। অনুর্ধ ২১ এবং ১৮ যারা তারা যদি বিয়ে করে তবে বাল্যবিবাহ আইনে এটি দন্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য জেল ও খাটতে হয়। এখন কেউ যদি জন্ম নিবন্ধন এ বয়স পরিবর্তন করে এ আইন থেকে মুক্তি পেতে চায় তবে কি সেটা কি তার জন্য বৈধ হবে কিনা?সে কি আল্লাহ সুবাহানাল্লাহু ওয়া তাআলা এর কাছে প্রতারণা কারী হিসেবে গন্য হবে?দলিলসহ জানাবেন। ২-ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২০ বছর হওয়া প্রয়োজন। কোন ১৭-১৮ বছরের ছেলে যদি জরুরী জীবিকা নির্বাহের প্রয়োজনে তার বয়স বাড়িয়ে দিয়ে জন্ম সনদ বানিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে নেয় তবে এক্ষেত্রে হুকুম কি? ৩-অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানের বয়স কমিয়ে দেয় যাতে পরবর্তিতে চাকরি পেতে অসুবিধা না হয়। এটা কি বৈধ?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বিবাহের জন্য বয়স কমানো বা চাকুরির জন্য বয়স কমানোই একইরূপ বিষয়। মিথ্যা সর্বদাই নিষিদ্ধ। মিথ্যা মূলত বড় গুনাহের কাজ। আমরা কোনোভাবেই মিথ্যাকে বৈধ বলতে পারি না। বান্দার নিজের ওজর নিজে বুঝবেন। মিথ্যা বলার মত কোনো ওজর তার আছে কিনা তিনি তাঁর মাবুদের সাথে তা বুঝবেন। ইসলামী শরীয়তে ১৮ বছরের পূর্বে বিবাহ করা বৈধ, তবে জরুরী নয়। সাধারণভাবে ১৮ বছর বয়সে বিবাহ করলে সমস্যা হয় না। এজন্য মিথ্যা থেকে মুক্ত থাকার জন্য চেষ্টা করা দরকার। চাকরীর জন্য মূলত যোগ্যতা সৃষ্টি, আল্লাহর কাছে দুআ ও চেষ্টা করাই মূল। সরকারী, বেসরকারী কোনো সম্মানজনক কাজ হলেই হলো। মিথ্যা ভাবে বয়স কমিয়ে মিথ্যার পাপ ছাড়া তেমন লাভ হয় বলে মনে হয় না। প্রথম থেকেই পিতামাতা মিথ্যা দিয়ে সন্তানের জীবন শুরু করলেন। প্রথমেই তারা বিশ্বাস করে নিলেন যে, সত্য বললে আমার সন্তানের ভাত হবে না!
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ রাষ্ট্রের অধিকারের অংশ। এটিকে শরীয়তের পরিভাষায় মাসালিহ মুরসালাহ বলা হয়। দেশের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার প্রয়োজনে শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন নীতিমালা বা বিধিবিধান রাষ্ট্র তৈরি করতে পারে। এ সকল বিধান মান্য করা মুসলিম নাগরিকের ধর্মীয় দায়িত্ব। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বয়স পরিবর্তন কয়েকটি অন্যায়ের জন্ম দেয়: মিথ্যা, রাষ্ট্রীয় বিধান অমান্য এবং কম বয়সে গাড়ি চালাতে যেয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি।