ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। ১। আমি নিজে ও আমার পোশাক পবিত্র রাখার যথেষ্ঠ চেষ্টা করি কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়। যখন সন্দেহ হয় তখন পোশাক পরিবর্তন করার সুযোগ থাকলে পোশাক পরিবর্তন করে নামায আদায় ক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। ১। আমি নিজে ও আমার পোশাক পবিত্র রাখার যথেষ্ঠ চেষ্টা করি কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়। যখন সন্দেহ হয় তখন পোশাক পরিবর্তন করার সুযোগ থাকলে পোশাক পরিবর্তন করে নামায আদায় করি কিন্তু মাঝে মাঝে পোশাক পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে না তখন কি করব?
২। একজন শাইখ বলেছেন কেউ যদি মাযহাব মানে তাহলে তার ঈমাণ নষ্ট হয়ে যাবে। এটা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি?
৩। কারো কাছে বায়াত হওয়া কি জরুরী?
২। একজন শাইখ বলেছেন কেউ যদি মাযহাব মানে তাহলে তার ঈমাণ নষ্ট হয়ে যাবে। এটা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি?
৩। কারো কাছে বায়াত হওয়া কি জরুরী?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।শুধু সন্দেহের কারণে পোশাক পরিবর্তন করবেন না। এটা এক ধরণের রোগ আপনি এটা করতে থাকলে এই রোগটি আপনাকে পেয়ে বসবে। ২। ঐ শায়েখ মাজহাবের অর্থ ভুল বুঝেছেন,তাই এমনটি বলেছেন। প্রকৃতপক্ষে ঐ শায়েখও মাজহাব মানে। প্রতিটি মানুষের পক্ষে কুরআন-হাদীস থেকে পড়ে মাসআলা-মাসায়েল জানা সম্ভব নয়। হাদীসের বিশুদ্ধতা নির্ণয় করাও প্রত্যেকের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মানুষেরা কোন আলেমের থেকে এগুলোে জেনে নিয়ে আমল করে থাকে। এটাকেই সমাজ মাজহাব নাম দিয়েছে। এটা করলে যদি ঈমান নষ্ট হয় তাহলে ঈমান থাকবে কিভাবে? হাদীসের সহীহ যয়ীফ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ আলেম পূর্ববর্তী মুহাদ্দিসগণের উপর নির্ভর করে, এর অর্থ হলো তারা পূর্ববর্তী ইমামদের মতামত মানছে তার মাজহাব মানছে। যে শায়েখ বলেছেন তিনিও হয়তো এর ব্যাতিক্রম নন। আসলে সবাই মাজহাব মানে, কেই বুঝতে পারে আর কেউ বুঝেও না বুঝার ভান করে। ৩। সৎ মানুষদের সহচার্যে থাকতে হবে। বায়াত কিছু না।