ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
যে সকল লোক সুদে জর্জরিত হয়ে গেছে কিন্তু সুদ থেকে মুক্ত হতে পারছেনা। তাদের তেমন সম্পদও নাই যে ঋণ পরিশোধ করবে। এখন তারা কিভাবে ঋণ ও সুদ থেকে মুক্তি পাবে। কোন রকম সংসার খরচ চালাতেও নতুন করে ঋণ …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
যে সকল লোক সুদে জর্জরিত হয়ে গেছে কিন্তু সুদ থেকে মুক্ত হতে পারছেনা। তাদের তেমন সম্পদও নাই যে ঋণ পরিশোধ করবে। এখন তারা কিভাবে ঋণ ও সুদ থেকে মুক্তি পাবে। কোন রকম সংসার খরচ চালাতেও নতুন করে ঋণ নিতে হচ্ছে। মোট কথা ঋণের দুষ্ট চক্রে আটকা পড়ে গেছে। মুক্তির উপায় জানা থাকলে জানিয়ে উপকৃত করবেন। আমিন!
উত্তর
Published
যারা ঋন নেয় তাদের একটা অভ্যাস হয়ে যায় সব সময় ঋন নেয়া। প্রয়োজনে হোক বা অপ্রয়োজনে। সুতরাং ঋন থেকে বাঁচতে হলে প্রথমে এই মানসিকতা বদলাতে হবে। সংসারের স্বাভাবিক খরচ মিটাতে এখন আর আগের দিনের মত কষ্ট হওয়ার কথা নয়। কারণ এখন মানুষের সামনে ছোট-বড় অনেক কাজ, সহজেই সেই কাজ পেতে পারে। সুতরাং স্বাভাবিক খরচের ক্ষেত্রে ঋন নেয়া বাদ দিতে হবে। আর যে ঋন নেয়া হয়েছে সে ঋন অল্প অল্প করে পরিষোধের ব্যবস্থা করতে হবে। সুদ দিবে না, বলবে মূল টাকাটা দিতে পারবো, সুদ দিতে পারবো ন। এতে টাকা যিনি পাবেন তিনি রাগান্বিত হবেন বটে তবে তার টাকার স্বার্থে ঋন গ্রহীতার কোন ক্ষতি করবে না। সর্বাবস্থায় ঋন মুক্তির জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে দুআ করতে হবে।