ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রশ্ন হলো -- কোরবানি করা আপনারা বলছেন যে--ওয়াজিব। কিন্তু আবু বক্কর, উমর ফারুক অনেক সময় কুরবানি করতেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে অমর, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস,বেলাল প্রমুখ সাহা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রশ্ন হলো -- কোরবানি করা আপনারা বলছেন যে--ওয়াজিব। কিন্তু আবু বক্কর, উমর ফারুক অনেক সময় কুরবানি করতেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে অমর, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস,বেলাল প্রমুখ সাহাবি থেকে বর্ণনা পাওয়া যায়।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহ সূরা কাওসারে কুরবানী করার আদেশ দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, সামর্থ থাকা সত্তেও কুরবানী না করলে ইদগাতে যেন না আসে। আল-মুসাতারক লিল-হাকেম, হাদীস নং ৩৪৬৮। হাদীসটিকে শায়খ আলবানী হাসান বলেছেন। কেউ কেউ সহীহ বলেছেন। সহীহ ওযীফ তারগীব, হাদীস নং ১০৮৭। এসব বিবেচনায় আলেমদের একটি অংশ বলেছেন, ওয়াজিব। কুরআন ও হাদীসের ভাষ্যের দিকে তাকালে ওয়াজিবই মনে হয়। তবে ওয়াজিবটা হলো আমলের দিকে দিয়ে। বিশ্বাসের দিক দিয়ে সুন্নাতই মনে করতে হবে। আর কুরবানী সুন্নাত বলার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্য ভোগ করছে। সেখানে সামর্থ থাকা সত্তেও অধিকাংশ মানুষ কুরবানী করে না। সেখানে কুরবানীর ঈদ যে, ধনী-গরীবের মহামিলনের উৎসব সেটা মনেই হয় না। আরেকটি কথা মনে রাখবেন যারা সুন্নাত বলেছেন, তারা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা বলেছেন। তাদের নিকট সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ওয়াজিবের স্থানে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। শেষ কথা বলি আপনার নিকট কুরবানী করা সুন্নাত হওয়ার অর্থ যেন এটা না হয় যে, বাচাঁ গেল, যেহেতু সুন্নাত তাহলে আর কুরবানী করা লাগবে না। সাহাবীদের কেউ কেউ করাবনী করেন নি এর থেকে প্রমানিত হয় যে, ফরজ নয়। কারণ কুরআন ও হাদীসের ভাষ্য থেকে ফরজ মনে করারও অবকাশ আছে।