QA As Sunnah Q&A

যাদের জীবনে অনেক নামাজ কাযা হয়েছে (১০-১৫ বৎসর) এবং তার কোন সঠিক হিসাব নেই, এই ক্ষেত্রে শুধু তওবা করলে কি হবে নাকি সব কাজা নামাজ আদায় করতে হবে? যদি কাযা নামাজ আদায় করতে হয় তবে তা কিভাবে?

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
নামায • প্রশ্ন #১৯৩৭ • ভিউ: ১৯ • ১৯ মে, ২০১১

যাদের জীবনে অনেক নামাজ কাযা হয়েছে (১০-১৫ বৎসর) এবং তার কোন সঠিক হিসাব নেই, এই ক্ষেত্রে শুধু তওবা করলে কি হবে নাকি সব কাজা নামাজ আদায় করতে হবে? যদি কাযা নামাজ আদায় করতে হয় তবে তা কিভাবে?

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
যাদের জীবনে অনেক নামাজ কাযা হয়েছে (১০-১৫ বৎসর) এবং তার কোন সঠিক হিসাব নেই, এই ক্ষেত্রে শুধু তওবা করলে কি হবে নাকি সব কাজা নামাজ আদায় করতে হবে? যদি কাযা নামাজ আদায় করতে হয় তবে তা কিভাবে?
উত্তর
Published
্ অধিকাংশ আলেমের অভিমত হলো বহুদিন ধরে ইচ্ছাকৃত নমায ছেড়ে দিলে (যাকে অনেকেই উমরি কাজা বলে) উক্ত নামায আদায় করতে হবে। তা সে যত ওয়াক্তই হোক না কেন। আর আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যেন তিনি ক্ষমা করে দেন। তবে কোন কোন আলেম বলেছেন,উমরি কাজা করা লাগবে না, আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে, মাফ চাইতে হবে। সর্বাবস্থায় যথাসম্ভভ শুধু ফরয সালাতগুলো কাযা আদায় করা উচিত। সাধ্যের মধ্যে কাযা আদায় করার পাশাপাশি বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করতে হবে এবং তাওবা ইসতিগফার করতে হবে। প্রত্যেক ওয়াক্তের ফরজ সালাত আদায় করার আগে বা পরে ঐ ওয়াক্তের কাজা নামাগুলো অল্প অল্প করে আদায় করা যেতে পারে। দলীল এবং ইমাম ও ফকীহদের মতামত বিস্তারতি জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলামিয়্যতুল কুয়েতিয়্যাহ, ৩৪/২৬; আলফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ২/৩০১; আদদুররিল মুযিয়্যাহ শারহু দুররিল বাহিয়্যাহ, ১/১০৮; আল ফিকহ্ আলা মাজাহিবিল আরবা, ১/৭৫৭।