ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন: কেউ যদি তার স্ত্রীকে যথা নিয়মে ( এক বারে ৩ তালাক বা তিন মাসে তিন তালাক) দেয় এবং সময় অতিক্রম হয়ে যায় তবে কি তার পূর্বের স্ত্রীকে পুনরায় বিবাহ করে ফিরিয়ে নিতে পারবে? যদি তার পূর্বের স্…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রশ্ন: কেউ যদি তার স্ত্রীকে যথা নিয়মে ( এক বারে ৩ তালাক বা তিন মাসে তিন তালাক) দেয় এবং সময় অতিক্রম হয়ে যায় তবে কি তার পূর্বের স্ত্রীকে পুনরায় বিবাহ করে ফিরিয়ে নিতে পারবে? যদি তার পূর্বের স্ত্রীর অন্য কোথাও বিবাহ না হয়। দলিলসহ জানতে চাই।
উত্তর
Published
তিন তালাক দিলে ইদ্দতের সময় অতিবাহত হোক বা না হোক অন্য কোথাও বিবাহ ছাড়া উক্ত স্ত্রীকে পূনরায় বিবাহ করা জায়েজ নেই। এই বিষয়ে আল্লাহ কুরআনে বলেছেন,
فَإِن طَلَّقَهَا فَلاَ تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىَ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ অথাৎ যদি স্বামী স্ত্রীকে (তিন) তালাক দেয় তাহলে সেই স্ত্রী তার জন্য হালাল নয় যতক্ষন না স্ত্রী অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। সূরা বাকারাহ-২৩০। উল্লেখ্য এখানে বিবাহ দ্বারা বিবাহের পর সহবাস উদ্দেশ্য । একটি হাদীস দ্বারা এটা জানা যায়। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৩৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৫৯৯। সহীহ মুসলিম থেকে হাদীসের আরবী পাঠটি নিচে দিয়ে দিলাম। عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ جَاءَتِ امْرَأَةُ رِفَاعَةَ إِلَى النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَتْ كُنْتُ عِنْدَ رِفَاعَةَ فَطَلَّقَنِى فَبَتَّ طَلاَقِى فَتَزَوَّجْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزَّبِيرِ وَإِنَّ مَا مَعَهُ مِثْلُ هُدْبَةِ الثَّوْبِ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ أَتُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِى إِلَى رِفَاعَةَ لاَ حَتَّى تَذُوقِى عُسَيْلَتَهُ وَيَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ . قَالَتْ وَأَبُو بَكْرٍ عِنْدَهُ وَخَالِدٌ بِالْبَابِ يَنْتَظِرُ أَنْ يُؤْذَنَ لَهُ فَنَادَى يَا أَبَا بَكْرٍ أَلاَ تَسْمَعُ هَذِهِ مَا تَجْهَرُ بِهِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم-.
فَإِن طَلَّقَهَا فَلاَ تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىَ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ অথাৎ যদি স্বামী স্ত্রীকে (তিন) তালাক দেয় তাহলে সেই স্ত্রী তার জন্য হালাল নয় যতক্ষন না স্ত্রী অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। সূরা বাকারাহ-২৩০। উল্লেখ্য এখানে বিবাহ দ্বারা বিবাহের পর সহবাস উদ্দেশ্য । একটি হাদীস দ্বারা এটা জানা যায়। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৩৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৫৯৯। সহীহ মুসলিম থেকে হাদীসের আরবী পাঠটি নিচে দিয়ে দিলাম। عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ جَاءَتِ امْرَأَةُ رِفَاعَةَ إِلَى النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَتْ كُنْتُ عِنْدَ رِفَاعَةَ فَطَلَّقَنِى فَبَتَّ طَلاَقِى فَتَزَوَّجْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزَّبِيرِ وَإِنَّ مَا مَعَهُ مِثْلُ هُدْبَةِ الثَّوْبِ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ أَتُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِى إِلَى رِفَاعَةَ لاَ حَتَّى تَذُوقِى عُسَيْلَتَهُ وَيَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ . قَالَتْ وَأَبُو بَكْرٍ عِنْدَهُ وَخَالِدٌ بِالْبَابِ يَنْتَظِرُ أَنْ يُؤْذَنَ لَهُ فَنَادَى يَا أَبَا بَكْرٍ أَلاَ تَسْمَعُ هَذِهِ مَا تَجْهَرُ بِهِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم-.