QA As Sunnah Q&A

কেহ যদি আল্লাহর নামে কছম করে বলে যে আমি (যে কোন অজুহাতে) অমুক ব্যক্তির সাথে কথা বলবনা, যদি সে ব্যক্তি মুসলমান হয় তাহলে ৩ (তিন) দিনের বেশি কথা না বলে থাকা গুনাহের কাজ। এখানে যেহেতু কছম করা হয়…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #২১৩৫ • ভিউ: ১০ • ০৩ ডিসেম্বর, ২০১১

কেহ যদি আল্লাহর নামে কছম করে বলে যে আমি (যে কোন অজুহাতে) অমুক ব্যক্তির সাথে কথা বলবনা, যদি সে ব্যক্তি মুসলমান হয় তাহলে ৩ (তিন) দিনের বেশি কথা না বলে থাকা গুনাহের কাজ। এখানে যেহেতু কছম করা হয়…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
কেহ যদি আল্লাহর নামে কছম করে বলে যে আমি (যে কোন অজুহাতে) অমুক ব্যক্তির সাথে কথা বলবনা, যদি সে ব্যক্তি মুসলমান হয় তাহলে ৩ (তিন) দিনের বেশি কথা না বলে থাকা গুনাহের কাজ। এখানে যেহেতু কছম করা হয়েছে সে ক্ষেত্ররে কছম ভাঙ্গের জন্য কি কাফারা দিতে হবে কি না?
উত্তর
Published
জ্বী, কসম ভাঙ্গার কারণে তাকে কাফফারা দিতে হব। কাফফারা হলো দশজন মিসকিনকে দুবলো খাবার প্রদান করা। অথবা দশজন মিসকিনকে এক সেট করে কাপড় প্রদান করা।