ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুলাইকুম আপনারদের সাইটে অনেকগুলো প্রশ্ন করেছি উত্তরও পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ । আল্লাহ আপনাদের উত্তম পুরস্কার দান করুন। আবারও আমাকে প্রশ্ন করতে হচ্ছেঃ আমার আত্মীয় যারা আছে তাদের ৯৯.৯৯% ই …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুলাইকুম
আপনারদের সাইটে অনেকগুলো প্রশ্ন করেছি উত্তরও পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ । আল্লাহ আপনাদের উত্তম পুরস্কার দান করুন। আবারও আমাকে প্রশ্ন করতে হচ্ছেঃ
আমার আত্মীয় যারা আছে তাদের ৯৯.৯৯% ই হারাম উপার্জনের সাথে জরিত । যেমনঃ কেউ ব্যাংকিং সুদ খায়, কেউ ঘুষ খায়, কেউ দাদনে টাকা লাগায়, কেউ ব্যাংকে চাকরি করে ইত্যাদি। আমরা এই আত্মীয়দের বাড়ি সাধারনত যাই না খুব কমই যাওয়া হয়। তবে ফোনে তাদের খোজ খবর নেই নিয়মিত । তাদেরকে এই হারাম বিষয়ে বুঝাতে গেলে তারা কোন গুরুত্ব দেয় না আবার বেশি বুঝাতে গেলে মনোমালিন্য বা ঝগড়া হবে ।তাদের বাড়ি না গিয়ে ফোনের মাধ্যমে যে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা এটা কি হারাম হবে অথবা আমাদের কি করা উচিত?
২) আমার মা বয়স্ক মানুষ । তার মাঝে আছে কুসংস্কার । যা শিরিক বা বিদাত বা হারাম ।আমি তাকে বুঝাতে চাইলে সে সহজে বুঝতে চায় না । সে চায় আমি তার কথা শুনি । প্রথমে কয়েকবার তাকে বুঝাই যে এটা শিরিক বা বিদাত সে শুনতে চায় না বরং বার বার আমাকে সেই একই কথা বলবে। যখন আমি খুব রেগে গিয়ে নিষেধ করি তখন সে আর সেই বিষয় আমার উপর চাপায় না দেখে যে কাজ হবে না । কিন্তু সে মনে খুব কষ্ট পায় বা কান্নাই করে দেয় বা অভিশাপ দিয়ে বসে যে আমার কথা সুনতেছিস না বুঝবি । তার কথা শুনলে হয় শিরিক বা বিদাত বা হারাম মেনে নেয়া হবে । সে যে মনে কষ্ট পায় এতে কি আমার পাপ হবে? বা অভিশাপ দিলে লাগবে? আমার কি করা উচিত?
আপনারদের সাইটে অনেকগুলো প্রশ্ন করেছি উত্তরও পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ । আল্লাহ আপনাদের উত্তম পুরস্কার দান করুন। আবারও আমাকে প্রশ্ন করতে হচ্ছেঃ
আমার আত্মীয় যারা আছে তাদের ৯৯.৯৯% ই হারাম উপার্জনের সাথে জরিত । যেমনঃ কেউ ব্যাংকিং সুদ খায়, কেউ ঘুষ খায়, কেউ দাদনে টাকা লাগায়, কেউ ব্যাংকে চাকরি করে ইত্যাদি। আমরা এই আত্মীয়দের বাড়ি সাধারনত যাই না খুব কমই যাওয়া হয়। তবে ফোনে তাদের খোজ খবর নেই নিয়মিত । তাদেরকে এই হারাম বিষয়ে বুঝাতে গেলে তারা কোন গুরুত্ব দেয় না আবার বেশি বুঝাতে গেলে মনোমালিন্য বা ঝগড়া হবে ।তাদের বাড়ি না গিয়ে ফোনের মাধ্যমে যে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা এটা কি হারাম হবে অথবা আমাদের কি করা উচিত?
২) আমার মা বয়স্ক মানুষ । তার মাঝে আছে কুসংস্কার । যা শিরিক বা বিদাত বা হারাম ।আমি তাকে বুঝাতে চাইলে সে সহজে বুঝতে চায় না । সে চায় আমি তার কথা শুনি । প্রথমে কয়েকবার তাকে বুঝাই যে এটা শিরিক বা বিদাত সে শুনতে চায় না বরং বার বার আমাকে সেই একই কথা বলবে। যখন আমি খুব রেগে গিয়ে নিষেধ করি তখন সে আর সেই বিষয় আমার উপর চাপায় না দেখে যে কাজ হবে না । কিন্তু সে মনে খুব কষ্ট পায় বা কান্নাই করে দেয় বা অভিশাপ দিয়ে বসে যে আমার কথা সুনতেছিস না বুঝবি । তার কথা শুনলে হয় শিরিক বা বিদাত বা হারাম মেনে নেয়া হবে । সে যে মনে কষ্ট পায় এতে কি আমার পাপ হবে? বা অভিশাপ দিলে লাগবে? আমার কি করা উচিত?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সাধারণ সম্পর্কতো রাখতেই হবে। তাই ফোনে বা যে কোন উপায়ে তাদের সাথে সাধারণ সম্পর্ক রাখত হবে। ২। এমন পর্যায়ে যাবেন না যে, আপনার আম্মা কান্না করবে বা অভিশাপ দিবে। আপনি আদরের সাথে তাকে বুঝাবেন।