ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
মুহতারাম আস সালামু আলাইকুম। জান্নাতে যাওয়ার জন্য হাদীসের আালোকে কিছু কাজের কথা জানতে চাই।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। হাদীসে আছে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সা. কে বলেন,
يا رسول الله! نبئني بما يباعدني من عذاب الله، ويدخلني الجنة .قال تعبدُ الله ولا تشركُ به شيئاً وتقيمُ الصلاة المكتوبة وتؤدّي الزكاة المفروضة وتصومُ رمضان وتحجّ وتعتمرُ وانظر ما تحبّ من النّاس أن يأتوه إليك فافعله بهم وما كرهت أن يأتوه إليك فذرهم منه
অর্থ: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এমন কিছু আমল সম্পর্কে অবহিত করুন যা আমাকে আল্লাহর আযাব থেকে বিরত রাখবে এবং জান্নাতের নিকটবর্তী করবে। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কোন কাউকে শরীক করবে না, ফরজ নামায যথাযথ ভাবে আদায় করবে, ফরজ যাকত আদায় করবে, রমজান মাসে রোজা রাখবে, হজ্ব ও ওমরা করবে এবং তুমি মানুষদের থেকে যে ধরনের আচার-ব্যবহার আশা করো তাদের সাথে সে ধরনের আচার-ব্যবহার করো আর তাদের থেকে যে ধরনের আচার-ব্যবহার অপছন্দ করো তুমি তাদের সাথে সে ধরনের আচার-ব্যবহার পরিহার করো। আল-কুনা ওয়াল আসমা লিদ-দুলাবি, হাদীস নং২৮৯; সিলসিলাতুস সহীহা, হাদীস নং ৩৫০৮। হাদীসটির সনদগত ভাবে দূর্বল তবে এই কথাগুলো বিভিন্ন সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত। উক্ত হাদীস থেকে জান্নাতে যাওয়ার জন্য প্রয়েজনিও আমলসমূহ জানতে পারলাম। এগুলোর সাথে সর্বপ্রকার হারাম ও মাকরুহ কাজ থেকে বিরত থাকা, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সু-স্পর্ক রাখা, বান্দার হক আদায় করা, সন্দেহপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকা, মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা, বেশী বেশী নফল নামায ও রোজা রাখা, নামাযের পরে ও অন্যান্য সময়ের মাসনুন দোয়াগুলো যথা সমায়ে পড়া, জিকির করা ইত্যাদি নেক আমল আমাদের জান্নাতে যাওয়ার পথকে সুগম করবে ইনশাআল্লাহ।
يا رسول الله! نبئني بما يباعدني من عذاب الله، ويدخلني الجنة .قال تعبدُ الله ولا تشركُ به شيئاً وتقيمُ الصلاة المكتوبة وتؤدّي الزكاة المفروضة وتصومُ رمضان وتحجّ وتعتمرُ وانظر ما تحبّ من النّاس أن يأتوه إليك فافعله بهم وما كرهت أن يأتوه إليك فذرهم منه
অর্থ: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এমন কিছু আমল সম্পর্কে অবহিত করুন যা আমাকে আল্লাহর আযাব থেকে বিরত রাখবে এবং জান্নাতের নিকটবর্তী করবে। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কোন কাউকে শরীক করবে না, ফরজ নামায যথাযথ ভাবে আদায় করবে, ফরজ যাকত আদায় করবে, রমজান মাসে রোজা রাখবে, হজ্ব ও ওমরা করবে এবং তুমি মানুষদের থেকে যে ধরনের আচার-ব্যবহার আশা করো তাদের সাথে সে ধরনের আচার-ব্যবহার করো আর তাদের থেকে যে ধরনের আচার-ব্যবহার অপছন্দ করো তুমি তাদের সাথে সে ধরনের আচার-ব্যবহার পরিহার করো। আল-কুনা ওয়াল আসমা লিদ-দুলাবি, হাদীস নং২৮৯; সিলসিলাতুস সহীহা, হাদীস নং ৩৫০৮। হাদীসটির সনদগত ভাবে দূর্বল তবে এই কথাগুলো বিভিন্ন সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত। উক্ত হাদীস থেকে জান্নাতে যাওয়ার জন্য প্রয়েজনিও আমলসমূহ জানতে পারলাম। এগুলোর সাথে সর্বপ্রকার হারাম ও মাকরুহ কাজ থেকে বিরত থাকা, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সু-স্পর্ক রাখা, বান্দার হক আদায় করা, সন্দেহপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকা, মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা, বেশী বেশী নফল নামায ও রোজা রাখা, নামাযের পরে ও অন্যান্য সময়ের মাসনুন দোয়াগুলো যথা সমায়ে পড়া, জিকির করা ইত্যাদি নেক আমল আমাদের জান্নাতে যাওয়ার পথকে সুগম করবে ইনশাআল্লাহ।