ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
انْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ, قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : خُذُوا الْعَطَاءَ مَا دَامَ عَطَاءً ، فَإِذَا كَانَ رِشْوَةً عَلَى الدِّينِ فَلا تَأْخُذُوهُ وَلَسْ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
انْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ, قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : خُذُوا الْعَطَاءَ مَا دَامَ عَطَاءً ، فَإِذَا كَانَ رِشْوَةً عَلَى الدِّينِ فَلا تَأْخُذُوهُ وَلَسْتُمْ بِتَارِكِيهِ, يَمْنَعُكُمْ مِنْ ذَلِكَ الْفَقْرُ وَالْمَخَافَةُ, أَلا إِنَّ رَحَى بَنِي مَرْجٍ قَدْ دَارَتْ, أَلا وَإِنَّ رَحَى الإِيمَانِ دَائِرَةٌ, فَدُورُوا مَعَ الْكِتَابِ حَيْثُ مَا دَارَ, أَلا وَإِنَّ الْكِتَابَ وَالسُّلْطَانَ سَيَفْتَرِقَانِ, فَلا تُفَارِقُوا الْكِتَابَ, أَلا إِنَّهُ سَيَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يَقْضُونَ لأَنْفُسِهِمْ مَالا يَقْضُونَ لَكُمْ, إِنْ عَصَيْتُمُوهُمْ قَتَلُوكُمْ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ أَضَلُّوكُمْ . قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ نَصْنَعُ ؟ قَالَ : كَمَا صَنَعَ أَصْحَابُ عِيسَى بْنِ مَرْيَمَ نُشِرُوا بِالْمَنَاشِيرِ وَحُمِلُوا عَلَى الْخَشَبِ, مَوْتٌ فِي طَاعَةِ اللَّهِ خَيْرٌ مِنْ حَيَاةٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ মুহতারাম, আচ্ছালামু আলা্ইকুম, উপরোক্ত হাদীসটি সহীহ না জঈফ? জঈফ হলে তার ভিত্তি কি? যদি কুরআন ও অন্য কোন হাদীসের সাথে এর কোন সংঘর্ষ আছে কি না? এবং এই হাদীস গ্রহণ করা যাবে কি না? দয়াকরে জানাবেন। উম্মে ত্বা-হা, কুয়েত হতে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। উক্ত হাদীসটি ইমাম তবারনী আল-মুজামূল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাদীস নং ১৬৫৯৯। হাদীসটি বিভিন্ন কারনে যয়ীফ। প্রথমত যে ব্যক্তি হাদীসটি সাহাবী মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি তাঁর থেকে শোনেন নি। তার নাম ইয়াজিদ ইবনে মারছাদ। এছাড়া এই হাদীসের একজন বর্ণনাকারীর (তার নাম ওদীন ইবনে আতা) ব্যাপারে বিতর্ক আছে। আল্লামা হায়ছামী উক্ত হাদীসটির বিশ্লেষনে বলেছেন,
رواه الطبراني . ويزيد بن مرثد لم يسمع من معاذ والوضين بن عطاء وثقه ابن حبان وغيره وضعفه جماعة وبقية رجاله ثقات
ইমাম তবারনী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াজিদ ইবনে মারছাদ মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে শুনেন নি। আর ওদীন ইবনে আতাকে ইবনে হিব্বান এবং অনেকেই ছিকাহ বলেছেন আর একদল মুহাদ্দিস তাকে দূর্বল বলেছেন। মাজমাউজ জাও-ইদ, হাদীস নং ৯২০৮। সুতরাং উক্ত হাদীসটিকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
رواه الطبراني . ويزيد بن مرثد لم يسمع من معاذ والوضين بن عطاء وثقه ابن حبان وغيره وضعفه جماعة وبقية رجاله ثقات
ইমাম তবারনী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইয়াজিদ ইবনে মারছাদ মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে শুনেন নি। আর ওদীন ইবনে আতাকে ইবনে হিব্বান এবং অনেকেই ছিকাহ বলেছেন আর একদল মুহাদ্দিস তাকে দূর্বল বলেছেন। মাজমাউজ জাও-ইদ, হাদীস নং ৯২০৮। সুতরাং উক্ত হাদীসটিকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।