ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস্সালামুআলাইকুম। আমার প্রশ্ন হলো --যারা বলে পীর ধারা ফরজ তারা নিন্মোক্ত দলিল পেশ করছে। অর্থাৎ বুঝা যায় পীর না ধরলে সে বেঈমান হয়ে মৃত্যু বরণ করবেন। তার মানে একজন মুসলিম আল্লাহ সকল হুকুম আহকা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস্সালামুআলাইকুম। আমার প্রশ্ন হলো --যারা বলে পীর ধারা ফরজ তারা নিন্মোক্ত দলিল পেশ করছে। অর্থাৎ বুঝা যায় পীর না ধরলে সে বেঈমান হয়ে মৃত্যু বরণ করবেন। তার মানে একজন মুসলিম আল্লাহ সকল হুকুম আহকাম মানার পর আল্লাহ সাথে কোনো শিরিক করলো না। কিন্তু সে কোনো পীর ধরতে পারলো না তাহলে কি সে জাহান্নামে যাবে বা বেঈমান হয়ে মৃত্যু বরণ করবে? দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো নিন্মোক্ত হাদিস ও কুরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা কি? আমি *** চিহ্নের মাধ্যমে তাদের বক্তব্য তুলে ধরলাম। ***আল্লাহর হুকুম ফরজ, তাই নীচের আয়াত দ্বারা প্রমান পীর ধরা ফরজ। এখন যারা কোরানের আয়াত অস্বীকার করবে, তারা কি মোসলমান থাকবে কিনা?
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্ল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুকরণ করা থেকে হাত সরিয়ে নিবে, কেয়ামতের দিন তার নাজাতের জন্য কোন দলিল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি পীর-মুরিদী গ্রহণ করা ছাড়া মৃত্যুবরণ করবে তার মৃত্যু জাহেলী যুগের বেঈমানদের মত হবে। (মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৮ পৃ.)
যারা আপনার কাছে মুরীদ হচ্ছে তারা বস্ত্মুত আল্লাহ পাকের কাছেই মুরীদ হচ্ছে, আল্লাহ্র হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। যারা এর অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে, অবশ্যই সে তার ক্ষতির জন্যেই করবে। আর যে আল্লাহ পাকের সাথে মুরিদ হওয়ার অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, অতি সত্ত্বর তিনি মহা পুরস্কার দান করবেন। (সূরা ফাতাহ্, আয়াত ১০)
নিশ্চয় আল্লাহ পাক ঐ সকল মুমিনদের প্রতি সন্ত্মুষ্ট, যারা গাছের নিচে আপনার হাতে মুরিদ হয়েছে, তাদের অন্ত্মরের অবস্থা তিনি পূর্ব থেকেই জ্ঞাত। সুতরাং তাদের প্রতি নাযিল করলেন প্রশান্তচিত্য, অচিরেই তাদেরকে দান করবেন বিজয়ের তৃপ্তি। (সূরা ফাতাহ, আয়াত নং ১৮)
হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন শায়েখের হাতে মুরিদ হবে। সে যেন এর অঙ্গীকারও পূর্ণ করতে থাকে এবং অন্ত্মর দ্বারা পীরকে ভালবাসতে থাকে। আর যথা সম্ভব পীরের অনুকরণ ও অনুসরণ করতে থাকে। ***
(মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৬ পৃ.)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্ল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুকরণ করা থেকে হাত সরিয়ে নিবে, কেয়ামতের দিন তার নাজাতের জন্য কোন দলিল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি পীর-মুরিদী গ্রহণ করা ছাড়া মৃত্যুবরণ করবে তার মৃত্যু জাহেলী যুগের বেঈমানদের মত হবে। (মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৮ পৃ.)
যারা আপনার কাছে মুরীদ হচ্ছে তারা বস্ত্মুত আল্লাহ পাকের কাছেই মুরীদ হচ্ছে, আল্লাহ্র হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। যারা এর অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে, অবশ্যই সে তার ক্ষতির জন্যেই করবে। আর যে আল্লাহ পাকের সাথে মুরিদ হওয়ার অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, অতি সত্ত্বর তিনি মহা পুরস্কার দান করবেন। (সূরা ফাতাহ্, আয়াত ১০)
নিশ্চয় আল্লাহ পাক ঐ সকল মুমিনদের প্রতি সন্ত্মুষ্ট, যারা গাছের নিচে আপনার হাতে মুরিদ হয়েছে, তাদের অন্ত্মরের অবস্থা তিনি পূর্ব থেকেই জ্ঞাত। সুতরাং তাদের প্রতি নাযিল করলেন প্রশান্তচিত্য, অচিরেই তাদেরকে দান করবেন বিজয়ের তৃপ্তি। (সূরা ফাতাহ, আয়াত নং ১৮)
হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন শায়েখের হাতে মুরিদ হবে। সে যেন এর অঙ্গীকারও পূর্ণ করতে থাকে এবং অন্ত্মর দ্বারা পীরকে ভালবাসতে থাকে। আর যথা সম্ভব পীরের অনুকরণ ও অনুসরণ করতে থাকে। ***
(মুসলিম শরিফ ২ খ. ১২৬ পৃ.)
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মানুষ ধর্মের সকল বিষয় জানে না। তাই কাউকে শিক্ষক মনে করে তাঁর কাছ থেকে ধর্মের বিষয়াদি জেনে নিবে এই অর্থে একজনকে পাীর মানা অর্থাৎ শিক্ষক মানা জায়েজ। আবশ্যক না। আবশ্যক হলো যে কোন ভাবে ধর্মের প্রয়োজনীও বিষয়াদী জানা। পীর ধরার ব্যাপারে যে হাদীসদু টি আপনি মুসলিম শরীফের হাওলা দিয়ে লিখেছেন এই হাদীস মুসলিম শরীফে নেই। তারা মিথ্যা লিখেছে। আর কুরআনের আয়াতগুলোর অর্থ মোটেও পীরের কাছে মুরিদ হওয়া নয়। বরং রাষ্ট্রপ্রধান বা মুসলিম নেতার কাছে জিহাদের শপথ নেয়ার কথা বুঝানো হয়েছে। মুরিদ বলতে কিছু কুরআনে নেই। তারা যা করছে সবই অপব্যাখ্যা। হযরত ওসমান রা. কে কাফেররা আটক করেছে, শহীদ করেছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর সাহাবীরা রা. রাসূলের হাতে হাত রেখে শপথ করেছিল যে, তারা ওসমান রা. কে হত্যার প্রতিশোধ নিবে। এই বিষয়টাকে তারা পীরের হাতে মুরিদ বলে চালাতে চাচ্ছে। কথা হলো তার পরে তো কোন মুসলিম এভাবে করেন নি, আগেও করেন নি এমন কি যারা ওখানে শপথ নিয়েছিল তারাও আগে শপথ নেন নি, তার মানে তাদের কথা অনুযায়ী সাহাবীরা আগে মুসলিম ছিল না, কারণ আগে তাদের ভাষায় মুুরদ হয় নি। এসব বাজে কথা। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।