ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। ১) ইসলামে ফকির তত্তের কোন ভিত্তি আছে কি? ২) ইলমে শরিয়ত, মারিফত, তরিকত ও হাকিকত বিষয়ে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম।সাধু ফকিরের মতে যারা ইলমে শরিয়ত, মারিফত, তরিকত ও হাকিকতের …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। ১) ইসলামে ফকির তত্তের কোন ভিত্তি আছে কি? ২) ইলমে শরিয়ত, মারিফত, তরিকত ও হাকিকত বিষয়ে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম।সাধু ফকিরের মতে যারা ইলমে শরিয়ত, মারিফত, তরিকত ও হাকিকতের ইলম না রাখে তারা আলেম না।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। (আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক মাওলানা হাফিজ আজাদ সাহেব। যিনি বাউল তত্বের উপর দীর্ঘ গবেষণা করেছেন। এবং তার এই গবেষণা পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে। )
১/ কথিত ফকিরি তত্ত্বের আরেক নাম বাউলতত্ত্ব। এ তত্ত্বে আছে বৈরাগ্যবাদ। যার কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই। এমন কি এ তত্ত্বের বিশ্বাস বা আকিদার সাথে ইসলামী আকিদার কোনো সম্পর্ক নেই। আছে বিস্তর পার্থক্য। ফকিরদের ভাষ্যমতে তারা কোনো প্রচলিত ধর্ম পালন করে না। আবার তাদের কেউ কেউ বলে থাকেন, আমরা মূলত মানব ধর্মের অনুসারী। এ তত্ত্বের আবিষ্কার বেশ আগের হলেও এর প্রবক্তা হিসেবে ধরা হয়,লালন ফকিরকে। ফকিরদের কেউ কেউ এটাকে ধর্ম নয়, দর্শন হিসেবে প্রচার করেন। তবে এক কথায় বলা যায়, ফকিরিতন্ত্রের সাথে ইসলামের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। ফকিরিতন্ত্রের বিভিন্ন বই-পুস্তক ও বাংলাদেশে এ সম্প্রদায়ের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করলে যা পাওয়া যায়, তা হলো, সনাতন ধর্মের সন্ন্যাসবাদ ও ইসলাম ধর্মের বিকৃত সুফিজম তত্ত্বের সঙ্গমে জন্ম এ তত্ত্বের। এটাকে বাউলতত্ত্বও বলা হয়। এ বাউলতত্ত্বের গুরুদেরকে সাধু বা সাইজি হিসেবে ভক্তরা ডা্েকে থাকেন। এককথায় এটাকে স্বতন্ত্র একটা মতবাদ বা দর্শন বলা যেতে পারে, তবে ধর্ম নয়। ২) ইলমে শরিয়ত,ইলমে মারিফত, তরিকত ও হাকিকত এবিষয়গুলো পরিভাষা হিসেবে রূপ লাভ করেছে তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীদের যুগের অনেক পরে সুফিজম থেকে। তবে ওই সময়ে এ পরিভাষাগুলো ভালো উদ্দেশ্যে তৈরি হলেও ক্রমে ক্রমে বিকৃত হয়ে বর্তমানে এগুলো ভন্ড সাধু ও ভন্ড পীরদের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইসলাম বিকৃতকারী যৌনবাদী ভন্ডরা এসব পরিভাষার অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত গোমরাহ করছে। আর এ মতবাদে বিপুল পরিমানে যৌনতা ও নোংরামি আছে, যেকারণে অসাধু লোকেরা সাধুর বেশ ধরে অপকর্ম করতে এ দর্শন গ্রহণ করে।
১/ কথিত ফকিরি তত্ত্বের আরেক নাম বাউলতত্ত্ব। এ তত্ত্বে আছে বৈরাগ্যবাদ। যার কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই। এমন কি এ তত্ত্বের বিশ্বাস বা আকিদার সাথে ইসলামী আকিদার কোনো সম্পর্ক নেই। আছে বিস্তর পার্থক্য। ফকিরদের ভাষ্যমতে তারা কোনো প্রচলিত ধর্ম পালন করে না। আবার তাদের কেউ কেউ বলে থাকেন, আমরা মূলত মানব ধর্মের অনুসারী। এ তত্ত্বের আবিষ্কার বেশ আগের হলেও এর প্রবক্তা হিসেবে ধরা হয়,লালন ফকিরকে। ফকিরদের কেউ কেউ এটাকে ধর্ম নয়, দর্শন হিসেবে প্রচার করেন। তবে এক কথায় বলা যায়, ফকিরিতন্ত্রের সাথে ইসলামের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। ফকিরিতন্ত্রের বিভিন্ন বই-পুস্তক ও বাংলাদেশে এ সম্প্রদায়ের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করলে যা পাওয়া যায়, তা হলো, সনাতন ধর্মের সন্ন্যাসবাদ ও ইসলাম ধর্মের বিকৃত সুফিজম তত্ত্বের সঙ্গমে জন্ম এ তত্ত্বের। এটাকে বাউলতত্ত্বও বলা হয়। এ বাউলতত্ত্বের গুরুদেরকে সাধু বা সাইজি হিসেবে ভক্তরা ডা্েকে থাকেন। এককথায় এটাকে স্বতন্ত্র একটা মতবাদ বা দর্শন বলা যেতে পারে, তবে ধর্ম নয়। ২) ইলমে শরিয়ত,ইলমে মারিফত, তরিকত ও হাকিকত এবিষয়গুলো পরিভাষা হিসেবে রূপ লাভ করেছে তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীদের যুগের অনেক পরে সুফিজম থেকে। তবে ওই সময়ে এ পরিভাষাগুলো ভালো উদ্দেশ্যে তৈরি হলেও ক্রমে ক্রমে বিকৃত হয়ে বর্তমানে এগুলো ভন্ড সাধু ও ভন্ড পীরদের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইসলাম বিকৃতকারী যৌনবাদী ভন্ডরা এসব পরিভাষার অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত গোমরাহ করছে। আর এ মতবাদে বিপুল পরিমানে যৌনতা ও নোংরামি আছে, যেকারণে অসাধু লোকেরা সাধুর বেশ ধরে অপকর্ম করতে এ দর্শন গ্রহণ করে।