ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুয়ালাইকুম, ইদানিং ইসলামী ব্যাংক একটি একাউন্ট offer করছে যার নাম ওয়াকফ একাউন্ট যাতে কেউ সদকায়ে যারিয়া হিসাবে দান করবে। যেমন কেউ কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে একাউন্ট এ রাখল…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম, ইদানিং ইসলামী ব্যাংক একটি একাউন্ট offer করছে যার নাম ওয়াকফ একাউন্ট যাতে কেউ সদকায়ে যারিয়া হিসাবে দান করবে। যেমন কেউ কমপক্ষে ১০,০০০ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে একাউন্ট এ রাখলে মাসে মাসে বা বছরে যে লাভ হবে তা এতিম বাচ্চাদের জন্য বা জনকল্যান খাতে ব্যয় হবে এবং এটা সারাজীবন চলতে থাকবে। আমার প্রশ্ন হল সদকায়ে যারিয়া হিসাবে এই একাউন্ট খোলা জায়েজ হবে কিনা? যাযাকাল্লাহু খায়ের।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এখানে মূল বিষয় হলো সে টাকাটা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন কাজে বিনিয়োগ করছে সেটা দেখা। যদি শরীয়তের আইন-কানুন মেনে ব্যবসাতে বিনেয়োগ করে তাহলে টাকা রাখা অর্থাৎ ব্যাংক একাউন্ট খোলা জায়েজ। আর যদি সুদের কারবার হিসাবে বিনিয়োগ করে তাহলে জায়েজ নেই। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।