ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম, ১) বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে কাদার ফোঁটা লাগলে কী উজু ভাঙ্গে (প্রশ্নটি করার কারণ হলোঃ বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম,
১) বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে কাদার ফোঁটা লাগলে কী উজু ভাঙ্গে (প্রশ্নটি করার কারণ হলোঃ বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে কাদার কাদার কোন ফোঁটাটা পাক, কোন ফোঁটাটা নাপাক- সেটা বুঝা মুশকিল)?
২) সফরের সময় শরঈসম্মত কারণে যোহর ও আসরের জমাকৃত সালাত যোহরের সময়, নাকি আসরের সময় এবং মাগরিব ও এশার জমাকৃত সালাত মাগরিবের সময় নাকি এশার সময় আদায় করব- দলিলসহ জানালে উপকৃত হবো।
১) বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে কাদার ফোঁটা লাগলে কী উজু ভাঙ্গে (প্রশ্নটি করার কারণ হলোঃ বৃষ্টিভেজা রাস্তা দিয়ে হাটার সময় রাস্তা থেকে কাপড়ে কাদার কাদার কোন ফোঁটাটা পাক, কোন ফোঁটাটা নাপাক- সেটা বুঝা মুশকিল)?
২) সফরের সময় শরঈসম্মত কারণে যোহর ও আসরের জমাকৃত সালাত যোহরের সময়, নাকি আসরের সময় এবং মাগরিব ও এশার জমাকৃত সালাত মাগরিবের সময় নাকি এশার সময় আদায় করব- দলিলসহ জানালে উপকৃত হবো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে, নাপাক লেগেছে তাহলে সমস্যা নেই। কাদা সাধারণত পাক-পবিত্র হয়। তবে যদি নিশ্চিত হন যে, নাপাক লেগেছে তাহলে ঐ পোশাকে নামায হবে না। ২। হানাফী মাজহাবে একই ওয়াক্তে দুই ওয়াক্তের সালাত একত্রে পড়া যাবে না। যোহরের শেষ সময়ে যোহর আর আসরের প্রথম সময়ে আসর তেমনি মাগরিবের শেষ সময়ে মাগরিব আর এশার প্রথম সময়ে এশা। কেননা আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, إِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا। নিশ্চয় সালাত মূমিনদের উপর সময়মত আদায় করা ফরজ। সূরা নিসা ১০৩। অন্যান্য আলেমগণ বলেন, সফরে যে কোন ওয়াক্তের সময় জমা করতে পারবে। অর্থাৎ জোহর ও আসরের সালাত যোহরের সময়ও পড়তে পারে আবার আসরের সময়ও পড়তে পারে। মাগরিব ও এশার ক্ষেত্রেও একই কথা। তাদের দলীল:
عَنْ مُعَاذٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فِى غَزْوَةِ تَبُوكَ فَكَانَ يُصَلِّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا. মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সা. এর সাথে গাযওয়ায়ে তাবুকে বের হলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ সা. যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও এশা একসাথে আদায় করলেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৬৬৫। এই হাদীসে নির্দিষ্ট সময় বলা হয় নি তাই তারা বলেন যে কোন সময় জমা করতে পারবে। তবে হানাফী আলেমেরদের মত অনুযায়ী আমল করার ভিতরই সতর্কতা বলে মনে হয়।
عَنْ مُعَاذٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فِى غَزْوَةِ تَبُوكَ فَكَانَ يُصَلِّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا. মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সা. এর সাথে গাযওয়ায়ে তাবুকে বের হলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ সা. যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও এশা একসাথে আদায় করলেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৬৬৫। এই হাদীসে নির্দিষ্ট সময় বলা হয় নি তাই তারা বলেন যে কোন সময় জমা করতে পারবে। তবে হানাফী আলেমেরদের মত অনুযায়ী আমল করার ভিতরই সতর্কতা বলে মনে হয়।