QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম। ১) যদি সতর্কতাবশঃত ধরে নেই যে, লজ্জাস্থানে (অনাবৃত) অনিচ্ছাকৃত হাত লেগে গেলে উযু ভাঙ্গে সেক্ষেত্রে লজ্জাস্থান বলতে কোন অঙ্গগুলোকে বোঝানো হয়-নাভির নিচ থেকে হাঁটুর উপর পর্যন্…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ত্বহারাত পবিত্রতা • প্রশ্ন #২৭২৬ • ভিউ: ২২ • ১৬ জুলাই, ২০১৩

আসসালামু আলাইকুম। ১) যদি সতর্কতাবশঃত ধরে নেই যে, লজ্জাস্থানে (অনাবৃত) অনিচ্ছাকৃত হাত লেগে গেলে উযু ভাঙ্গে সেক্ষেত্রে লজ্জাস্থান বলতে কোন অঙ্গগুলোকে বোঝানো হয়-নাভির নিচ থেকে হাঁটুর উপর পর্যন্…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। ১) যদি সতর্কতাবশঃত ধরে নেই যে, লজ্জাস্থানে (অনাবৃত) অনিচ্ছাকৃত হাত লেগে গেলে উযু ভাঙ্গে সেক্ষেত্রে লজ্জাস্থান বলতে কোন অঙ্গগুলোকে বোঝানো হয়-নাভির নিচ থেকে হাঁটুর উপর পর্যন্ত পুরো অংশটুকুই নাকি সুনির্দিষ্ট কিছু অঙ্গ যেমনঃ পুরুসাঙ্গ, পায়ুপথ, স্ত্রী যৌনাঙ্গ ইত্যাদি-বিষয়টির দলিলসহ ব্যাখ্যা পেলে উপকৃত হবো। ২) সুতরাবিহীন অবস্থায় সালাতরত ব্যক্তির সামনে যাওয়ার কোন ন্যূনতম দূরত্ব কী আছে? থাকলে তা কত দলিলসহ জানালে উপকৃত হবো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যেখানে দলীল প্রয়োজন হয় সেখানে আমার দলীল দেই । যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে দলীল দেয়া হয় না। ১। লজ্জাস্থান বলে কি বুঝায় এটা সবার জানা নাভীর নিচেকে কেউ লজ্জাস্থান বলে না। লজ্জাস্থান বলতে শুধু পুরুষাঙ্গ এবং নারীর যৌনাঙ্গ বুঝায়। ২। নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া জায়েজ নেই। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَيِ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ أَرْبَعِينَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُو النَّضْرِ لاَ أَدْرِي أَقَالَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا ، أَوْ شَهْرًا ، أَوْ سَنَةً
নামাযরত ব্যক্তির সামানে দিয়ে যাতায়াতকারী ব্যক্তি যদি জানতো এতে কি পরিমাণ গুনাহ হয় তাহলে সে সামনে দিয়ে যাওয়ার চেয়ে চল্লিশ ( দিন,মাস কিংবা বছর উদ্দেশ্য, বর্ণনা স্পষ্ট নয়) দাঁড়িয়ে থাকাকে উত্তম মনে করত। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫১০। মুসনাদে বায-যারে (হাদীস নং ৩৭৮২)আছে চল্লিশ বছর। তবে সামনে কতুটুকু পরিমান জায়গার মধ্যে যেতে পারবে না সে বিষয়ে মতভেদ আছে। হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন,
وَاخْتُلِفَ فِي تَحْدِيدِ ذَلِكَ فَقِيلَ إِذَا مَرَّ بَيْنَهُ وَبَيْنَ مِقْدَارِ سُجُودِهِ ، وَقِيلَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ قَدْرَ ثَلَاثَةِ أَذْرُعٍ وَقِيلَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ قَدْرَ رَمْيَةٍ بِحَجَرٍ
অর্থ: এর সীমা নিয়ে মতভেদ আছে। কারো মতে, সিজাদা দেয়ার স্থান পর্যন্ত, কেউ কেউ বলেন, তিন হাত, আবার কেউ কেউ বলেন, পাথর নিক্ষেপ করলে যতুটুকু যায় সেই পরিমাণ। ফাতহুল বারী, ১/৫৮৫ (শামেলা)। এজন্য সর্বদা সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া পরিহার করবেন। একান্ত বাধ্য হলে অন্তত দু কাতার দূর থেকে যাবেন।