ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুয়ালাইকুম, ১। স্বর্ণ, নগদ টাকা, এবং বিনিয়োগ একত্রে নিসাব পরিমান হলে কি যাকাত দিতে হবে? না কি প্রতিটি আলাদা করে নিসাব পরিমান হলেই যাকাত দিতে হবে? ২। আমার নিকট শুধু ৫২.৫০ তোলা রুপা পরিম…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম, ১। স্বর্ণ, নগদ টাকা, এবং বিনিয়োগ একত্রে নিসাব পরিমান হলে কি যাকাত দিতে হবে? না কি প্রতিটি আলাদা করে নিসাব পরিমান হলেই যাকাত দিতে হবে?
২। আমার নিকট শুধু ৫২.৫০ তোলা রুপা পরিমান নগদ টাকা থাকলে কি যাকাত দিতে হবে? না কি ৭.৫ ভরি স্বর্ণ পরিমান টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে?
২। আমার নিকট শুধু ৫২.৫০ তোলা রুপা পরিমান নগদ টাকা থাকলে কি যাকাত দিতে হবে? না কি ৭.৫ ভরি স্বর্ণ পরিমান টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। স্বর্ণ, নগদ টাকা, এবং বিনিয়োগ একত্রে নিসাব পরিমান হলেই যাকাত দিতে হবে। নিচে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
যাকাতের নিসাব স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত ভরি এবং রোপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি। অর্থাৎ কারো কাছে যদি শুধু স্বর্ণ থাকে তাহলে সাড়ে সাত ভরির কম হলে যাকাত ফরজ হবে না। তেমনি যদি কারো কাছে শুধু রোপা থাকে তাহলে সাড়ে বায়ান্ন ভরির কমে যাকাত ফরজ হবে ন। তবে যদি কারো কাছে স্বর্ণ ও রোপা উভয়টি থাকে তবে নিসাব পরিমান নয় কিন্তু টাকার হিসাবে সেগুলোর মোট মূল্য সাড়ে বায়ান্ন ভরি রোপার মূল্যের সমপরিমাণ হয় তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে তার উপর যাকাত ফরজ। এই বিষয়ে আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু কিতাবের মধ্যে আছে:ويضم عند الجمهور (غير الشافعية ) أحد النقدين إلى الآخر في تكميل النصاب، فيضم الذهب إلى الفضة وبالعكس بالقيمة، অর্থ: শাফেয়ী মাজাহাবের আলেমগণ বাদে অধিকাংশ আলেমদের নিকটে যাকাতের নিসাব পূর্ণ করার ক্ষেত্রে একটি মুদ্রাকে আরেকটি মুদ্রার সাথে মিলাতে হবে। সুতরাং স্বর্ণকে রুপার সাথে মূল্যে হিসাবে মিলাতে হবে। আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু ৩/১৮২। বিখ্যাত ফিকহী বিশ্বকোষ আলমাওসুয়াতুল ফিকহিয়্যাতুল কুয়েতিয়্যাহ এর আলেমগণ বলেছেন,ذَهَبَ الْجُمْهُورُ ( الْحَنَفِيَّةُ وَالْمَالِكِيَّةُ وَهُوَ رِوَايَةٌ عَنْ أَحْمَدَ وَقَوْل الثَّوْرِيِّ وَالأَْوْزَاعِيِّ ) إِلَى أَنَّ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ يُضَمُّ أَحَدُهُمَا إِلَى الآْخَرِ فِي تَكْمِيل النِّصَابِ
অধিকাংশ আলেমগণ এই মত পোষন করেছেন যে, যাকাতের নিসাব পূর্ণ করার ক্ষেত্রে স্বর্ণ-রোপ্যকে একে অপরের সাথে মিলাতে হবে। যারা এই মত পোষন করেছেন তাদের মধ্যে আছেন হানাফী ও মালেকী আলেমগন, সাওরী ও আওযায়ী রহ.। এবং ইমাম আহমাদ রহ. থেকেও এক বর্ণনায় তিনি এই মত পোষন করেছেন বলে জানা যায়। আলমাওসুয়াতুল ফিকহিয়্যাতুল কুয়েতিয়্যাহ ২৩/২৬৭। তদ্রুপ যদি কারো আছে নেসাবের চেয়ে কম স্বর্ণ কিংবা রোপা থাকে, সাথে টাকা থাকে আর টাকার হিসাবে সেগুলোর মোট মূল্য যদি সাড়ে বায়ান্ন তোলার রোপার সমপরিমাণ হয় তাহলে তার উপরেও যাকাত ফরজ। উল্লেখ্য নিসাবের মালিক হওয়ার অর্থাৎ যাকত ফরজ হওয়া পরিমান সম্পদের মালিক হওয়ার এক বছর পর যাকাত আদায় করতে হবে। বছরের মাঝে সম্পদ কমে গেলেও যাকাত দিতে হবে এবং যাকাত দেয়ার সময় যত সম্পদ থাকবে সেটা হিসাব করে আড়াই পার্সেন্ট যাকাত দিতে হব। সোনা ও রোপার মধ্য থেকে যেটার মূল্য দ্বারা নিসাব ধরলে গরীবের জন্য সহায়ক হবে সেটার মূল্য ধরে যাকাতের নিসাব নির্ধারণ করতে হবে। সুতরাং আপনার নিকট সাড়ে বায়ান্ন ভরি রোপার মূল্য পরিমাণ টাকা থাকলে আপনার উপর যাকাত ওয়াজিব। বর্তমানে এটার মূল্য ৫০ হাজার টাকার মত।
যাকাতের নিসাব স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত ভরি এবং রোপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি। অর্থাৎ কারো কাছে যদি শুধু স্বর্ণ থাকে তাহলে সাড়ে সাত ভরির কম হলে যাকাত ফরজ হবে না। তেমনি যদি কারো কাছে শুধু রোপা থাকে তাহলে সাড়ে বায়ান্ন ভরির কমে যাকাত ফরজ হবে ন। তবে যদি কারো কাছে স্বর্ণ ও রোপা উভয়টি থাকে তবে নিসাব পরিমান নয় কিন্তু টাকার হিসাবে সেগুলোর মোট মূল্য সাড়ে বায়ান্ন ভরি রোপার মূল্যের সমপরিমাণ হয় তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে তার উপর যাকাত ফরজ। এই বিষয়ে আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু কিতাবের মধ্যে আছে:ويضم عند الجمهور (غير الشافعية ) أحد النقدين إلى الآخر في تكميل النصاب، فيضم الذهب إلى الفضة وبالعكس بالقيمة، অর্থ: শাফেয়ী মাজাহাবের আলেমগণ বাদে অধিকাংশ আলেমদের নিকটে যাকাতের নিসাব পূর্ণ করার ক্ষেত্রে একটি মুদ্রাকে আরেকটি মুদ্রার সাথে মিলাতে হবে। সুতরাং স্বর্ণকে রুপার সাথে মূল্যে হিসাবে মিলাতে হবে। আল-ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু ৩/১৮২। বিখ্যাত ফিকহী বিশ্বকোষ আলমাওসুয়াতুল ফিকহিয়্যাতুল কুয়েতিয়্যাহ এর আলেমগণ বলেছেন,ذَهَبَ الْجُمْهُورُ ( الْحَنَفِيَّةُ وَالْمَالِكِيَّةُ وَهُوَ رِوَايَةٌ عَنْ أَحْمَدَ وَقَوْل الثَّوْرِيِّ وَالأَْوْزَاعِيِّ ) إِلَى أَنَّ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ يُضَمُّ أَحَدُهُمَا إِلَى الآْخَرِ فِي تَكْمِيل النِّصَابِ
অধিকাংশ আলেমগণ এই মত পোষন করেছেন যে, যাকাতের নিসাব পূর্ণ করার ক্ষেত্রে স্বর্ণ-রোপ্যকে একে অপরের সাথে মিলাতে হবে। যারা এই মত পোষন করেছেন তাদের মধ্যে আছেন হানাফী ও মালেকী আলেমগন, সাওরী ও আওযায়ী রহ.। এবং ইমাম আহমাদ রহ. থেকেও এক বর্ণনায় তিনি এই মত পোষন করেছেন বলে জানা যায়। আলমাওসুয়াতুল ফিকহিয়্যাতুল কুয়েতিয়্যাহ ২৩/২৬৭। তদ্রুপ যদি কারো আছে নেসাবের চেয়ে কম স্বর্ণ কিংবা রোপা থাকে, সাথে টাকা থাকে আর টাকার হিসাবে সেগুলোর মোট মূল্য যদি সাড়ে বায়ান্ন তোলার রোপার সমপরিমাণ হয় তাহলে তার উপরেও যাকাত ফরজ। উল্লেখ্য নিসাবের মালিক হওয়ার অর্থাৎ যাকত ফরজ হওয়া পরিমান সম্পদের মালিক হওয়ার এক বছর পর যাকাত আদায় করতে হবে। বছরের মাঝে সম্পদ কমে গেলেও যাকাত দিতে হবে এবং যাকাত দেয়ার সময় যত সম্পদ থাকবে সেটা হিসাব করে আড়াই পার্সেন্ট যাকাত দিতে হব। সোনা ও রোপার মধ্য থেকে যেটার মূল্য দ্বারা নিসাব ধরলে গরীবের জন্য সহায়ক হবে সেটার মূল্য ধরে যাকাতের নিসাব নির্ধারণ করতে হবে। সুতরাং আপনার নিকট সাড়ে বায়ান্ন ভরি রোপার মূল্য পরিমাণ টাকা থাকলে আপনার উপর যাকাত ওয়াজিব। বর্তমানে এটার মূল্য ৫০ হাজার টাকার মত।