ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম, ০১) যেকোনো ভাল কাজের শুরুতে বা শেষে ( নতুন বাড়িতে উঠা, নতুন বাড়ির কাজ শুরু করা ইত্যাদি) আয়োজন করে কয়েকজন মিলে দরূদ শরীফ পড়া, তবারুক খাওয়া ও বিতরণ করার শরঈ বিধান ক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম, ০১) যেকোনো ভাল কাজের শুরুতে বা শেষে ( নতুন বাড়িতে উঠা, নতুন বাড়ির কাজ শুরু করা ইত্যাদি) আয়োজন করে কয়েকজন মিলে দরূদ শরীফ পড়া, তবারুক খাওয়া ও বিতরণ করার শরঈ বিধান কী?
০২) আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, আযানের উত্তর দেয়ার মাসনুন নিয়ম হচ্ছে, আযানের শব্দগুলো শুনার পরপরই নিজে নিজে বলার পর (শুধুমাত্র হাইয়ালাসালালাহ ও হাইয়ালাল ফালাহ শুনার পর লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ বলা) দরূদ-এ-ইব্রাহিম পরে আযানের মাসনুন দোয়াটি (আল্লাহুম্মা রাব্বাহাযিহি দাওয়াতিত্তামা ওয়া আত্তাহ। ) পড়া। তদ্রুপ আমার জানামতে, ইকামাতের উত্তর দেয়ার মাসনুন নিয়ম হচ্ছে, ইকামাতের শব্দগুলো শুনার পরপরই নিজে নিজে বলা (শুধুমাত্র হাইয়ালাসালালাহ ও হাইয়ালাল ফালাহ শুনার পর লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ বলা)। এমতাবস্থায়, আমার প্রশ্ন, আযান ও ইকামাতের উত্তর দেয়ার উপরিউক্ত নিয়মগুলো সঠিক কিনা এবং জুম্মার সালাতের প্রথম ও দ্বিতীয় আযান ও ইকামাতের উত্তর কী এক নিয়মে দিতে হবে?
০২) আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, আযানের উত্তর দেয়ার মাসনুন নিয়ম হচ্ছে, আযানের শব্দগুলো শুনার পরপরই নিজে নিজে বলার পর (শুধুমাত্র হাইয়ালাসালালাহ ও হাইয়ালাল ফালাহ শুনার পর লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ বলা) দরূদ-এ-ইব্রাহিম পরে আযানের মাসনুন দোয়াটি (আল্লাহুম্মা রাব্বাহাযিহি দাওয়াতিত্তামা ওয়া আত্তাহ। ) পড়া। তদ্রুপ আমার জানামতে, ইকামাতের উত্তর দেয়ার মাসনুন নিয়ম হচ্ছে, ইকামাতের শব্দগুলো শুনার পরপরই নিজে নিজে বলা (শুধুমাত্র হাইয়ালাসালালাহ ও হাইয়ালাল ফালাহ শুনার পর লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ বলা)। এমতাবস্থায়, আমার প্রশ্ন, আযান ও ইকামাতের উত্তর দেয়ার উপরিউক্ত নিয়মগুলো সঠিক কিনা এবং জুম্মার সালাতের প্রথম ও দ্বিতীয় আযান ও ইকামাতের উত্তর কী এক নিয়মে দিতে হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।আযান ও ইকামাতের উত্তর দেয়ার উল্লেখিত নিয়মগুলো সঠিক এবং জুমআর সালাতের প্রথম ও দ্বিতীয় আযান ও ইকামাতের উত্তর এই নিয়মে দিতে হবে।