ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আল্লাহর রসুল কত বছর বয়ষে নবুয়াত পেয়েছিলেন? একজন আলেম কে বলতে শুনলাম যখন আসমান, জমীন, ও কোন নবী কে সৃষ্টি করা হয়নি তখন আল্লাহর রসুল কে সৃষ্টি করেছেন। । । আর এটি বোখারী শরিফে…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আল্লাহর রসুল কত বছর বয়ষে নবুয়াত পেয়েছিলেন?
একজন আলেম কে বলতে শুনলাম যখন আসমান, জমীন, ও কোন নবী কে সৃষ্টি করা হয়নি তখন আল্লাহর রসুল কে সৃষ্টি করেছেন। । । আর এটি বোখারী শরিফের হাদীস বলছেন।আপনার কাছে জানতে চাই। ।
একজন আলেম কে বলতে শুনলাম যখন আসমান, জমীন, ও কোন নবী কে সৃষ্টি করা হয়নি তখন আল্লাহর রসুল কে সৃষ্টি করেছেন। । । আর এটি বোখারী শরিফের হাদীস বলছেন।আপনার কাছে জানতে চাই। ।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।যখন আসমান, জমীন, ও কোন নবী কে সৃষ্টি করা হয়নি তখন আল্লাহর রসুল কে সৃষ্টি করছেনে
এমন কথা কোন হাদীসে বলা হয় নি। এটা ভুল কথা। আর বুখারীতেও নেই অন্য কোন হাদীসের কিতাবেও নেই।এটা একটা হাদীসে ভুল ব্যাখ্যা। হাদীসটি হলো,
عن أبي هريرة قال قالوا : يا رسول الله متى وجبت لك النبوة ؟ قال وآدم بين الروح والجسد অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন আপনার জন্য নবুওয়াত সাব্যস্ত হয়েছে? তিনি বলেন, তখন আদাম শরীর ও রুহ এর মাঝে ছিল। (অর্থাৎ তখনো আদম আ. কে সৃষ্টি করা হয় নি)। জামে তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬০৯। হাদীসটি সহীহ। হাদীসে যেটা বলা হয়ে সেটা ছিল আল্লাহ তায়াল নির্ধারন সংক্রান্ত রুহের জগতের বিষয়, দুনিয়ার বিষয় নয়। রুহের জগতে আমাদের সবাইকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,তার মানে এই নয় যে, তখন আমাদের জন্ম হয়েছিল। সুতরাং এটা বলা যাবে না যে, রাসূলুল্লাহ সা. তখনই নবুওয়াত পেয়েছিলেন বরং তাঁর জন্য নবুওয়াত আল্লাহ নির্ধারন করেছিলেন আর দুনিয়াতে জন্ম নেয়ার পর ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত পেয়েছিলেন।
এমন কথা কোন হাদীসে বলা হয় নি। এটা ভুল কথা। আর বুখারীতেও নেই অন্য কোন হাদীসের কিতাবেও নেই।এটা একটা হাদীসে ভুল ব্যাখ্যা। হাদীসটি হলো,
عن أبي هريرة قال قالوا : يا رسول الله متى وجبت لك النبوة ؟ قال وآدم بين الروح والجسد অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন আপনার জন্য নবুওয়াত সাব্যস্ত হয়েছে? তিনি বলেন, তখন আদাম শরীর ও রুহ এর মাঝে ছিল। (অর্থাৎ তখনো আদম আ. কে সৃষ্টি করা হয় নি)। জামে তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬০৯। হাদীসটি সহীহ। হাদীসে যেটা বলা হয়ে সেটা ছিল আল্লাহ তায়াল নির্ধারন সংক্রান্ত রুহের জগতের বিষয়, দুনিয়ার বিষয় নয়। রুহের জগতে আমাদের সবাইকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,তার মানে এই নয় যে, তখন আমাদের জন্ম হয়েছিল। সুতরাং এটা বলা যাবে না যে, রাসূলুল্লাহ সা. তখনই নবুওয়াত পেয়েছিলেন বরং তাঁর জন্য নবুওয়াত আল্লাহ নির্ধারন করেছিলেন আর দুনিয়াতে জন্ম নেয়ার পর ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত পেয়েছিলেন।