ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকুম, প্রশ্ন :ইমালসিফায়ার হল একটি বহুল ব্যাবহৃত খাদ্য উপাদান,যা প্রায় সবধরনের শুষ্ক খাদ্যে ব্যাবহৃত হয় (বিশেষ করে বিস্কুট,কেক এর মধ্যে)। আমি শুনেছি এই ইমালসিফায়ারের মধ্যে কিছু হাল…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম, প্রশ্ন :ইমালসিফায়ার হল একটি বহুল ব্যাবহৃত খাদ্য উপাদান,যা প্রায় সবধরনের শুষ্ক খাদ্যে ব্যাবহৃত হয় (বিশেষ করে বিস্কুট,কেক এর মধ্যে)। আমি শুনেছি এই ইমালসিফায়ারের মধ্যে কিছু হালাল (উদাঃe173) ও কিছু হারাম (উদাঃe471)। এর পাশাপাশি আরও বহু হালাল ও হারাম নাম্বার রয়েছে যার লিস্ট আমাদের অনেকের কাছে রয়েছে । যার দরুন আমরা প্রায় সবরকম শুষ্ক খাদ্যগ্রহন(বিস্কুট,কেক) বর্জন করেছি । যদিও বেকারীর তৈরী বিস্কুট আমরা গ্রহন করি, কারন এতে বাহ্যিকভাবে কোন উপাদানের কথা উল্লেখ থাকে না । এখন জানতে চাই ইমালসিফায়ার হারাম অথবা হালাল অথবা অন্য কিছু অথবা কিছুই নয়--- কোনটা? আমাদের কি মুসলিম হয়ে এধরনের বিধান মান্য করা বাঞ্চনীয়? কোরান-সুন্নাহর আলোকে সুস্পষ্ট ও সঠিক সমাধান কামনা করছি ...
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ইমালসিফায়ার সম্পর্কে যা জানতে পেরেছি তা হলো, কিছু কিছু খাদ্য পণ্যের বিভিন্ন উপাদান যেন ভালভাবে মিশ্রিত হয় সে জন্য ইমালসিফায়ার ব্যবহার করা হয়। আর ইমালসিফায়ার শুকুরের হাড়, ডিম এবং সবজি থেকে উৎপন্ন হয়। আর থাদ্যপণ্যের গায়ে কিছু নির্দেশনা থাকে যা থেকে বুঝা যায় যে, তাতে কী ধরণের ইমালসিফায়ার আছে। আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো, যদি পণ্যের গায়ে কোন আলামত দেয়া থাকে বা এমন কিছু লেখা থাকে যা থেকে বুঝা যায় যে, তাতে শুকুরের হাড় থেকে তৈরী ইমালসিফায়ার আছে তাহলে সেটা খাওয়া জায়েজ হবে না। আর যদি পণ্যের গায়ে কোন আলামত দেয়া থাকে বা এমন কিছু লেখা থাকে যা থেকে বুঝা যায় যে, ডিম বা সবজি থেকে তৈরী ইমালসিফায়ার তাতে রয়েছে, তাহলে জায়েজ হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। নতুন বিষয় হওয়ার কারণে উত্তর দিতে দেরী হওয়ায় আমরা দু:খিত।