QA As Sunnah Q&A

প্রশ্নটা আমার এক বন্ধুকে নিয়ে, সম্ভবত ২০১৪ সালের দিকে আমার ওয়ি বন্ধু এক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে যায় এবং ২/৩ বছর পবাধে মেলামেশা করতে থাকে। ছেলে এবং মেয়ে উভয় পরিবার ই বিশয়টা জেনে যায়। পরে ছে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৩০৪২ • ভিউ: ৯ • ২৮ মে, ২০১৪

প্রশ্নটা আমার এক বন্ধুকে নিয়ে, সম্ভবত ২০১৪ সালের দিকে আমার ওয়ি বন্ধু এক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে যায় এবং ২/৩ বছর পবাধে মেলামেশা করতে থাকে। ছেলে এবং মেয়ে উভয় পরিবার ই বিশয়টা জেনে যায়। পরে ছে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রশ্নটা আমার এক বন্ধুকে নিয়ে, সম্ভবত ২০১৪ সালের দিকে আমার ওয়ি বন্ধু এক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে যায় এবং ২/৩ বছর পবাধে মেলামেশা করতে থাকে। ছেলে এবং মেয়ে উভয় পরিবার ই বিশয়টা জেনে যায়। পরে ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই তারা তাদের ভুল বুঝতে পারে এবং পরিবারের সম্মতি ছাড়াই পরিবার কে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলে। কারণ তারা চায়নি তারা ব্যভিচার করার পর অন্য কাওক্ব নতুন করে ঠাকাক। কিন্তু ইসলাম এ তো সবকিছুর সমাধান আছে। ইসলাম এটাও বলে অভিভাবক ছাড়া বিয়ে জায়েজ হবেনা। পরিবারে জানানো ও ওখন সম্ভব না। জানালে মেয়ে এবং ছেলের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে। দুজনেই শিক্ষার্থী। তাহলে কি তাদের বিয়েটা জায়েজ নয়?
উত্তর
Published
প্রথম কথা হলো এই ধরণের সম্পর্কে জড়ানো ইসলামে আদৌ বৈধ নয়। এই সম্পর্কই অন্যান্য সকল পাপের পথ খুলে দিয়েছে। অধিকাংশ আলেমের মতে অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া মেয়েদের বিয়ে বৈধ নয়। হানাফী মাজাহাবের আলেমগণ বৈধ বলেছেন। আমাদের কথা হলো ব্যাভিচারের চেয়ে এভাবে বিয়ে ভাল। তবে আরো ভাল হতো কোন কৌশল অবলম্বন কর অভিভাবকদের জানয়ে বিবাহ করা। যাই হোক, অতীত ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে এবং যতদ্রুত সম্ভব অভিভাবকদের জানিয়ে বিষয়টি নিস্পত্তি করে নিবে।