ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকুম,প্রশ্ন:স্বামীও স্ত্রীর ফরজ নামাজের জামাতে একামত কি স্ত্রীই দেবে? যদি দেয় তাহলে তা উচ্চস্বরে না নিম্নস্বরে? এবং যেখানে সাধারনত মসজিদের আজান শোনা যায় না (ব্যাতিক্রম-ফজর) সেখানে…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম,প্রশ্ন:স্বামীও স্ত্রীর ফরজ নামাজের জামাতে একামত কি স্ত্রীই দেবে? যদি দেয় তাহলে তা উচ্চস্বরে না নিম্নস্বরে? এবং যেখানে সাধারনত মসজিদের আজান শোনা যায় না (ব্যাতিক্রম-ফজর) সেখানে পুরুষ মানুষের জামাতে নামাজ পড়ার বিধান কি? এক্ষেত্রে উক্ত ব্যাক্তি তাঁর স্ত্রীকে সংগে নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করবে -এটাই আমি জানি এবং মেনে চলি । কারন রসুলুল্লাহ (সঃ)তাঁর জীবনে ফরজ নামাজ ওজরবশত মা আয়েশা (রাঃ) এর সংগে আদায় করেছেন--যদিও সেখানে কারন ছিল মুসলমানদের মধ্যে বিবাদ মেটাতে গিয়ে জামাত না পাওয়া, এরপরও যেখানে মসজিদ নেই বা মসজিদ দূর হওয়ায় আজান শোনাই যায় না (ব্যাতিক্রম-ফজর) সেখান যদি কোন ব্যাক্তি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে জামাতে ফরজ নামাজ আদায় করেন তাহলে উক্ত ব্যাক্তি রসুলুল্লাহ (সঃ)এর একটি মাঝেমধ্যেকার সুন্নাত আদায় করলেন কি? এবং জামাত ত্যাগের শাস্তি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে নিলেন কি? (কারন পুরূষ মানুষের জামাতে ফরজ নামাজ আদায় করা কোন কোন আলেমের মতে তা ওয়াজিব আবার কোন কোন আলেমের মতে তা ওয়াজিব পর্যায়ের সুন্নাহ)।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, স্বামীর সাথে জামাতে নামায পড়লে স্ত্রী একামত দিবে না। কোন মহিলা যদি মাহরাম কারো সাথে নামায পড়ে সেক্ষেত্রে পুরুষ লোকই একামত দিবে। বিস্তারিত জানতে দেখুন http://fatwa.islamweb.net/fatwa/index.php?page=showfatwaOption=FatwaIdId=28869
বাংলাদেশে আযান শোনা যায় না এমন জায়গা তো কমই থাকার কথা। শহরে হলে তো কথাই নেই। সর্বাবস্থায় উচিত হলো মসজিদ একটু দূরে হলেও জামাতে নামায আদায় করা। বাংলাদেশে ঘরে নামায পড়ার কোন ব্যাপক অনুমতি দেয়া যায় না। কারণ এখানে মসজিদ খুবে বেশী দূরে এমন কমই । তাছাড়া আপনি বলেছেন ফজরের আযান শোন যায় তাহলে তো সেখানে জামাতে নামায পড়তে খুব বেশী সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে যদি সত্যই এমন জায়গা হয় যেখান আযান শোনা যায় না এবং অনেক দূর সেখানে বাড়িতে নামায আদায়ের অনুমতি হাদীসে আছে। সেক্ষেত্রে জামাত ত্যাগ করার কারণে কোন সমস্যা নেই, এ অবস্থায় তার উপর জামাত ওয়াজিব নয়। একাকী পড়লে সমস্যা নেই আবার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে জামাতেও পড়তে পারে। তবে ইচ্ছাকৃত মসজিদে না গিয়ে স্ত্রীর সাথে জামাতে নামায আদায়ের কোন ফায়দা নেই। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। প্রয়োজনে 01734717299
বাংলাদেশে আযান শোনা যায় না এমন জায়গা তো কমই থাকার কথা। শহরে হলে তো কথাই নেই। সর্বাবস্থায় উচিত হলো মসজিদ একটু দূরে হলেও জামাতে নামায আদায় করা। বাংলাদেশে ঘরে নামায পড়ার কোন ব্যাপক অনুমতি দেয়া যায় না। কারণ এখানে মসজিদ খুবে বেশী দূরে এমন কমই । তাছাড়া আপনি বলেছেন ফজরের আযান শোন যায় তাহলে তো সেখানে জামাতে নামায পড়তে খুব বেশী সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে যদি সত্যই এমন জায়গা হয় যেখান আযান শোনা যায় না এবং অনেক দূর সেখানে বাড়িতে নামায আদায়ের অনুমতি হাদীসে আছে। সেক্ষেত্রে জামাত ত্যাগ করার কারণে কোন সমস্যা নেই, এ অবস্থায় তার উপর জামাত ওয়াজিব নয়। একাকী পড়লে সমস্যা নেই আবার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে জামাতেও পড়তে পারে। তবে ইচ্ছাকৃত মসজিদে না গিয়ে স্ত্রীর সাথে জামাতে নামায আদায়ের কোন ফায়দা নেই। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। প্রয়োজনে 01734717299