ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
Assalamualaycum amr proshno holo namaz na porle ki manush kafir hoye jay.
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, بكروا بالصلاة في يوم الغيم فإنه من ترك الصلاة فقد كفر তোমরা মেঘলা দিনে তাড়াতাড়ি নামায পড়ো, কেননা যে নামায ছেড়ে দিবে সে কাফের হয়ে যাবে। সহীহ ইবনু হিব্বান, হাদীস নং ১৪৬৩। হাদীসটি সহীহ।অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ অবশ্যই মূমিন ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মাঝে পার্থক্য হলো নামায ছেড়ে দেয়া। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬। এই সব হাদীসের ভিত্তিতে বহু আলেম বলেছেন, ইচ্ছাকৃত নামায ছেড়ে দিলে কাফের হয়ে যাবে। আবার অনেকে বলেছেন, কাফের হবে না তবে বড় গুনাহ হবে। আর নামায অস্বীকার করে ছেড়ে দিলে সর্বাক্যমতে কাফের হয়ে যাবে।