ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
নামাজের মধ্যে যে শইতান ধোকা দেই তার নাম কি ওতার অর্থ কি? দয়া করে জানালে উপকৃত হব
উত্তর
Published
নামাযের মধ্যে যে শয়তান ধোকা দেয় তার নাম খিনযিব। নিচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন:
- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ الْبَاهِلِىُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِىِّ عَنْ أَبِى الْعَلاَءِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ أَبِى الْعَاصِ أَتَى النَّبِىَّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ حَالَ بَيْنِى وَبَيْنَ صَلاَتِى وَقِرَاءَتِى يَلْبِسُهَا عَلَىَّ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- ্র ذَاكَ شَيْطَانٌ يُقَالُ لَهُ خِنْزِبٌ فَإِذَا أَحْسَسْتَهُ فَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْهُ وَاتْفِلْ عَلَى يَسَارِكَ ثَلاَثًا قَالَ فَفَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَذْهَبَهُ اللَّهُ عَنِّى
অর্থ: উসমান ইবনে আবিল আস রা. রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ শয়তান আমার এবং আমার সালাত ও তেলাওয়াতের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, সালাতকে সন্দেহপূর্ণ করে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, ওটা শয়তান, তার নাম খিনযিব যখন তুমি এমনটি অনুভব করবে তখন আল্লাহ কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে (আউযুবিল্লাহ পড়বে) এবং বাম দিবে তিনবার থুঁতু ফেলবে। তিনি বলেন, আমি এমন করতাম আর আল্লাহ আমার থেকে তাকে দূর করে দিতেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৮৬৮। সুতরাং শয়তান সালাতের ভিতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে উপরুক্ত আমল করতে হবে।
- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ الْبَاهِلِىُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِىِّ عَنْ أَبِى الْعَلاَءِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ أَبِى الْعَاصِ أَتَى النَّبِىَّ -صلى الله عليه وسلم- فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ حَالَ بَيْنِى وَبَيْنَ صَلاَتِى وَقِرَاءَتِى يَلْبِسُهَا عَلَىَّ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- ্র ذَاكَ شَيْطَانٌ يُقَالُ لَهُ خِنْزِبٌ فَإِذَا أَحْسَسْتَهُ فَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْهُ وَاتْفِلْ عَلَى يَسَارِكَ ثَلاَثًا قَالَ فَفَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَذْهَبَهُ اللَّهُ عَنِّى
অর্থ: উসমান ইবনে আবিল আস রা. রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ শয়তান আমার এবং আমার সালাত ও তেলাওয়াতের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, সালাতকে সন্দেহপূর্ণ করে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, ওটা শয়তান, তার নাম খিনযিব যখন তুমি এমনটি অনুভব করবে তখন আল্লাহ কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে (আউযুবিল্লাহ পড়বে) এবং বাম দিবে তিনবার থুঁতু ফেলবে। তিনি বলেন, আমি এমন করতাম আর আল্লাহ আমার থেকে তাকে দূর করে দিতেন। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৮৬৮। সুতরাং শয়তান সালাতের ভিতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে উপরুক্ত আমল করতে হবে।