ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম, আমি বি সি এস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। নামাজ নিয়মিত সকল ওয়াক্ত পড়া হয় না। আপনি যদি সুন্নতের আলোকে আমাকে জীবন চালানোর জন্য একটা রুটিন দেন তা আমার জন্য খুব ভাল হয় …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আমি বি সি এস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। নামাজ নিয়মিত সকল ওয়াক্ত পড়া হয় না। আপনি যদি সুন্নতের আলোকে আমাকে জীবন চালানোর জন্য একটা রুটিন দেন তা আমার জন্য খুব ভাল হয় মেনে চলার জন্য। যদিও আপনার সময় নষ্ট হবে তবুও স্যার আমার জন্য কষ্ট হলেও দেন। আমি নিজেকে আর পরিচালনা করতে পারছি না। এমন একটা রুটিন দিয়েন যা আমি ইনশাআল্লাহ ম্রত্যুর আক পযন্ত মেনে যেতে পারি । আমি হতাশার মধ্যে চলে যাচ্ছি। এখন আমার কি করা উচিত বুঝতে পারছি না।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মহান আল্লাহ মানুষকে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। পালনযোগ্য রুটিন বানানোর জন্য আপনার প্রকৃতি জানা দরকার। তবে সাধারণভাবে আপনার জন্য উচিত হলো নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা, সালাতের সাজদার মধ্যে আল্লাহর সাথে কথা বলা ও আল্লাহর কাছে নিজের সফলতার জন্য দুআ করা, সকাল, সন্ধ্যা ও রাতের সামান্য কিছু দুআ ও ওযীফা করা। হতাশা একটি মহাপাপ। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশা থেকেই হতাশার জন্ম। হতাশা ও অলসতা থেকে মুক্তির কিছু দুআ আছে। রাহে বেলায়াত থেকে দুআগুলো শিখে নিয়ে সালাতের সাজদায় ও অন্যান্য সময়ে পড়তে থাকুন।