ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আমি ২০১০-২০১২ সালে দুটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে শিক্ষকতা করেছিলাম, তারপর বিদেশ থেকে পিএইচডি করে এখন দেশে ফিরে এসেছি। এখন আবার শিক্ষকতা করবো কি করবো …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আমি ২০১০-২০১২ সালে দুটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে শিক্ষকতা করেছিলাম, তারপর বিদেশ থেকে পিএইচডি করে এখন দেশে ফিরে এসেছি। এখন আবার শিক্ষকতা করবো কি করবো না সেজন্য পরামর্শ চাচ্ছি। আমি যতদূর জানি যেসব ইউনিভার্সিটিতে ছেলে-মেয়েরা একসাথে ক্লাসরুমে বসে, সেখানে শিক্ষকতার কাজ করা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম না হলেও অপছন্দনীয়। সমস্যা হলো আমাদের দেশের প্রায় সব ইউনিভার্সিটিতেই এই ব্যবস্থা বিদ্যমান। আমার চাকরির অভিজ্ঞতা বলে যে যদিও আমি দৃষ্টি নিচু রাখি, তারপরও ছাত্রীদের পড়া বুঝানোর সুবিধার্থে কিছুটা হলেও তাদের দিকে (ইচ্ছাকৃতভাবে) তাকাতে হয়। অপরপক্ষে শিক্ষকতা পেশার পজিটিভ দিকগুলো নিম্নরূপঃ (১) অন্যান্য চাকরির তুলনায় অবসর সময় বেশি পাওয়া যায় যেটা ইসলামের প্রচার-প্রসারে কাজে লাগানো যায়, (২) শিক্ষকতার চাকরিতে সম্মান পাওয়া যায় যেটা ইসলামের দাওয়াতি কাজে লাগানো যায়, (৩) ভালো বেতন পাওয়া যায় যেখান থেকে ইসলামের কাজে লাগানো যায়। আমার প্রায় আড়াই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা হলো এই যে দিনশেষে মনে খচখচ করে যে আমি ইচ্ছাকৃতভাবেই এমন চাকরিতে এসেছি যেখানে দৃষ্টি ১০০% হেফাজত করা যায় না (এ প্রসঙ্গে আরেকটি পয়েন্ট বিবেচনায় নিতে পারেনঃ আল্লাহ্র রহমতে আমার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ভালো)। শাইখ, যদি পজিটিভ-নেগেটিভ বিবেচনা করে চাকরির পরামর্শ দেন তাহলে দয়া করে বলবেন যে কিভাবে আমি মনের এই খচখচানি দূর করতে পারি। বিস্তারিত উত্তর দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। ভাই আপনার আল্লাহ ভীতির যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে সেজন্য আপনাকে মোবারকবাদ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, اتقوا الله مااستطعتم তোমরা আল্লাহকে তোমাদের সাধ্যমত ভয় কর। আসলে আপনি যে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, সে সমস্যাটি শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটিতে নয়, যেমন, হাট-বাজার, যানবাহনসহ সর্বক্ষেত্রেই এ সমস্যাটি রয়েছে। আপনি এ ক্ষেত্রে যে বিষয়টির প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবেন, তা হলো যথাসম্ভব আপনার কর্মস্থলে দৃষ্টি হেফাযত করবেন, তথা দৃষ্টি অবনত রাখবেন। বিশেষ কোনো প্রয়োজনে যদি আপনাকে ছাত্রীদেরকে কিছু বুঝাতে হয় তাহলে আপনি বিশেষ কারোর প্রতি দৃষ্টিপাত না করে সামগ্রিকভাবে ক্লাসের দিকে তাকিয়ে বা তাদের থেকে প্রশ্ন শুনে ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে আপনার পাঠদান করতে পারেন। আশা করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে ক্ষমা করবেন।