ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আল্লাহ্ বলেনঃ তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। [সুরা হুদ, আয়াত নং-৭], যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আল্লাহ্ বলেনঃ তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। [সুরা হুদ, আয়াত নং-৭], যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? [সুরা মুলক-আয়াত নং-২]
বিভিন্ন হাদিসের আলোকে আমরা জানি আল্লাহ্ সব কিছু আগেই জানেন। হাদিসে এসেছেঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর পূর্বে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, সে সময় আল্লাহর আরশ পানির উপরে ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫০৭, ইসলামিক সেন্টার ৬৫৫৮)। এখানে ব্যাখ্যায় বলা হয়েছেঃ তাকদীর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কথা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা আলীমুল গায়েব। অনাদিতেই তিনি জানেন কি হবে আর কি হবে না। সে অনুসারেই লাওহে মাহফুযে তিনি সব লিখে রেখেছেন। সুতরাং আল্লাহ তাআলা লিখে রেখেছেন বলে কেউ ভালো বা মন্দ কাজ করে না। বরং তার দ্বারা ঐ কাজটি যে সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে তিনি জ্ঞাত। তাই তিনি লিখে রেখেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যখ্যায় কি ভুল আছে? এই হাদিস উপরের আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা? উপরের আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় কে ভালো কাজ করবে কিংবা কে কর্মে শ্রেষ্ঠ তা আল্লাহ্ পরীক্ষা করবেন। এখন যদি আল্লাহ্ সব আগেই কিতাবে লিখে রাখেন তাহলে কি পরীক্ষা করবেন এবং পরীক্ষা করার কি প্রয়োজন?
বিভিন্ন হাদিসের আলোকে আমরা জানি আল্লাহ্ সব কিছু আগেই জানেন। হাদিসে এসেছেঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর পূর্বে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, সে সময় আল্লাহর আরশ পানির উপরে ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫০৭, ইসলামিক সেন্টার ৬৫৫৮)। এখানে ব্যাখ্যায় বলা হয়েছেঃ তাকদীর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কথা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা আলীমুল গায়েব। অনাদিতেই তিনি জানেন কি হবে আর কি হবে না। সে অনুসারেই লাওহে মাহফুযে তিনি সব লিখে রেখেছেন। সুতরাং আল্লাহ তাআলা লিখে রেখেছেন বলে কেউ ভালো বা মন্দ কাজ করে না। বরং তার দ্বারা ঐ কাজটি যে সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে তিনি জ্ঞাত। তাই তিনি লিখে রেখেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যখ্যায় কি ভুল আছে? এই হাদিস উপরের আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা? উপরের আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় কে ভালো কাজ করবে কিংবা কে কর্মে শ্রেষ্ঠ তা আল্লাহ্ পরীক্ষা করবেন। এখন যদি আল্লাহ্ সব আগেই কিতাবে লিখে রাখেন তাহলে কি পরীক্ষা করবেন এবং পরীক্ষা করার কি প্রয়োজন?
উত্তর
Published
পৃথবীতে পাঠানোর পর মানুষ যা করবে তা আল্লাহ তায়ালা জানেন। সেটাই আল্লাহ লিখে রেখেছেন। পরীক্ষা করার প্রয়োজন এই কারণেই যে, খারাপ মানুষ জাতে এই দাবী না করতে পারে যে, আমাকে দুনিয়াতে পাঠালে খারাপ কাজ করতাম না। এই সব নিয়ে আদৌ চিন্তা করবেন না। আল্লাহ আপনাকে বিবেক-বুদ্ধ দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী আল্লাহর হুকুম পালন করতে থাকুন।