ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকু। আমরা জানি যে হাদিসে আছে যে আল্লাহ যার কণ্যান চান তাকে তিনি দুঃখ-কষ্টে ফেলেন, আর আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাহদেরকে বেশী দুঃখ-কষ্টে ফেলেন, বিপদ আপদ দ্বারা তিনি তাঁর গুনাহ সমূহ মুছ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকু। আমরা জানি যে হাদিসে আছে যে আল্লাহ যার কণ্যান চান তাকে তিনি দুঃখ-কষ্টে ফেলেন, আর আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাহদেরকে বেশী দুঃখ-কষ্টে ফেলেন, বিপদ আপদ দ্বারা তিনি তাঁর গুনাহ সমূহ মুছে দিতে চান। আবার অন্যদিকে আমরা কুরআন বা হাদিস থেকে এও জানি যে বিশ্বাসী বা মুমিনের জন্য দুনিয়া কয়েদখানা আর অবিশ্বাসীর জন্য দুনিয়া জান্নাত অর্থাৎ অবিশ্বাসীদের কে আল্লাহ দুনিয়ার নিয়ামত দান করবেন, কিন্তু তাদের জন্য আখেরাতে কোনো শান্তুি থাকবে না। আমার প্রশ্ন হল তাহলে কেন একজন অমুসলিম বা অবিশ্বাসী দুনিয়াতে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং ধুকে ধুকে কষ্ট পেয়ে মৃত্যুবরন করে.? কেন একজন অবিশ্বাসী দারিদ্র্য জীবন যাপন করে, ক্ষুধায় অনাহারে কষ্ট করে? কেন একজন অবিশ্বাসী গাড়ির নীচে চাপা পড়ে নির্মম ভাবে মৃত্যুবরণ করে.? তাহলে কি আল্লাহ এর দ্বারা তাকে পরকালে নাজাত দিবেন.? আর যদি নাজাত না দেন তাহলে কেন তাকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানে নিয়ামত, সুখ -শান্তি থেকে বঞ্চিত করবেন? (আসতাগফিরুল্লাহ)
এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ইসলাম কি বলে সেটা জানার জন্য শুধু এই প্রশ্ন। ইসলামের কোনো হুকুম আহকাম বা আল্লাহর উপর কোনো সংশয় থেকে এই প্রশ্ন নয়। আল্লাহর উপর আমার অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।
এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ইসলাম কি বলে সেটা জানার জন্য শুধু এই প্রশ্ন। ইসলামের কোনো হুকুম আহকাম বা আল্লাহর উপর কোনো সংশয় থেকে এই প্রশ্ন নয়। আল্লাহর উপর আমার অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। পৃথিবী পরিচালনার ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার নিয়ম হলো এখানে মূমিন-কাফের, ভাল মানুষ-খারাপ মানুষ সবাই আল্লাহ তায়ালার নিয়ামত ভোগ করবে এবং তাদের যে কেউ দুনিয়াবী বিপদাপদের মুখোমুখি হতে পারে। কাফের-মুশরিকরা বিপদাপদে পড়া দুনিয়ার সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভূক্ত। আর বিপদাপদের মুখোমুখি হলে মুমিনরা যেন ভেঙে না পড়ে সে জন্য আল্লাহ তাদের ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেছেন এবং বলেছেন, তাদের জন্য তিনি বিপদাপদের উত্তম বদলা দান করবেন। আল্লাহ তায়ালার নাফরমানি করার কারণে কাফেররা দুনিয়াতেও আল্লাহর নিয়ামত না পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু আল্লাহ তায়ালা দয়া করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদের উপর নিয়ামত দান করেন এবং সময় দেন যেন তারা আল্লাহর পথে ফিরে আসে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।