QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম, আমার বাবা গত বছর (২০১৪ ইং) রমজানের রোজার ৩/৪ টি রাখার পর অসুস্থ হয়ে পরে। যার কারণে আর রোযা রাখা সম্ভব হয়নি। এখনো পুরাপুরি সুস্থ হয়নি। তবে আল্লাহ চাহেতো এবার রমযানের রোযা রা…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
রোজা • প্রশ্ন #৩৪ • ভিউ: ২০ • ০৩ মার্চ, ২০০৬

আস-সালামু আলাইকুম, আমার বাবা গত বছর (২০১৪ ইং) রমজানের রোজার ৩/৪ টি রাখার পর অসুস্থ হয়ে পরে। যার কারণে আর রোযা রাখা সম্ভব হয়নি। এখনো পুরাপুরি সুস্থ হয়নি। তবে আল্লাহ চাহেতো এবার রমযানের রোযা রা…

প্রশ্নকারী: Asadullah Al Azad
প্রশ্ন বিস্তারিত

আসসালামু আলাইকুম, আমার বাবা গত বছর (২০১৪ ইং) রমজানের রোজার ৩/৪ টি রাখার পর অসুস্থ হয়ে পরে। যার কারণে আর রোযা রাখা সম্ভব হয়নি। এখনো পুরাপুরি সুস্থ হয়নি। তবে আল্লাহ চাহেতো এবার রমযানের রোযা রাখার নিয়াত করেছে। এখন আমার প্রশ্ন হলো এ অবস্থায় পূর্বের রোযার হুকুম কি হবে? তিনি পূর্বের রোযা রাখার ব্যাপারে অনেকটা (অসুস্থতার কারনে) অপারগতা প্রকাশ করছেন। পূর্বের রোযা কি ফিদিয়া কিংবা মিসকিনকে খাওয়ানোর দ্বারা আদায় হবে?

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। অসুস্থতার জন্য রোজা রাখতে না পারলে সুস্থ হওয়ার পর তা আদায় করতে হবে। আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে ফিদিয়া দিতে হবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ

অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে কিংবা সফরে থাকবে তাহলে তার জন্য অন্য দিনগুলো, (অর্থাৎ সে পরে সুস্থ হলে কিংবা সফর থেকে ফিরে আসলে যে রোজাগুলো রাখতে পারেনি সেগুলো রাখবে)। আর যারা রোজা রাখতে গিয়ে কষ্টের শিকার হবে তাদের উপর আবশ্যক হল ফিদিয়া একজন মিসকীনকে খাবার খাওয়ানো। সূরা বাকারাহ, আয়াত: ১৮৪। এই আয়াতের ভিত্তিতে আলেগণের সর্বাক্যমতে যদি সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে তার জন্য ফিদিয়া দেয়া যাবে না। আর যদি সুস্থ হওয়ার আশা না থাকে তাহলে ফিদিয়া দিতে হবে। আধুনিক ফিকহী কিতাব আল ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু এর লেখক ড. ওহুবাহ আঝ-ঝুহায়লি বলেন,

وتجب الفدية أيضاً بالاتفاق على المريض الذي لا يرجى برؤه، لعدم وجوب الصوم عليه،

অর্থ: সর্বাক্যমতে ফিদিয়া ওয়াজিব হবে এমন অসুস্থ ব্যক্তির উপর যার সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে আশা করা যায় না। কেননা তার উপর তখন রোজা ওয়াজিব থাকে না। আল ফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ২/৬০৫। আরো দেখুন: আল ফিকহ আলা মাযাহিবিল আরবা, ১/৪৪৫। উপরুক্ত দলীল সমূহে ভিত্তিতে যা বোঝা যায় তা হল, আপনার পিতা যেহেতু আগামী রমযানে রোযা রাখার ইচ্ছা করছেন, এতে বোঝা যাচ্ছে তিনি এমন অসুস্থ নন যে, তার সুস্থ হওয়া অসম্ভব, তাই আপনার পিতাকে অপেক্ষা করতে হবে। যদি তিনি সুস্থ হয়ে যান তাহলে রোজা কাযা করবেন আর যদি পরবর্তিতে এমন হয় যে তার সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে কোন আশা করা যাচ্ছে না তখন ফিদিয়া দিতে হবে। আল্লাহ ভাল জানেন।