ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম। কেউ অনেকগুলো কাজের মধ্যে কোন একটি কাজে কুফরী করলেই কী তাকে কাফের বলে গণ্য/মনে করা যাবে (ঘোষনা না করে)?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কেউ কুফুরী কোন কাজ করলেই তাকে কাফের বলা যায় না বা কাফের মনে করা যাবে না, কাফের হিসেবে গণ্য করা্ও যাবে না। এই বিষয়ে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি. বলেন, সমাজের অনেক মানুষই নিজেকে মুমিন ও তাওহীদে বিশ্বাসী বলে দাবি করার পরেও বিভিন্ন প্রকার শিরক ও কুফরের মধ্যে লিপ্ত থাকেন। এদের এ সকল কর্ম শিরক বা কুফর বলে আমরা নিশ্চিত জানার পরেও এদেরকে কাফির বা মুশরিক বলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা ইসলামের নির্দেশ। কোনো কর্মকে শিরক বা কুফর বলা এবং কোনো ব্যক্তিকে কাফের বা মুশরিক বলার মাঝে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. বলেন, রাসূল সা. বলেছেন,
إِذَا كَفَّرَ الرَّجُلُ أَخَاهُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا যদি কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে কাফের বলে,তবে এ কথা দুজনের একজনের উপর প্রযোয্য হবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬০। আবু জার রা. বলেন, রাসূল সা. বরেছেন,
مَنْ دَعَا رَجُلاً بِالْكُفْرِ أَوْ قَالَ عَدُوَّ اللَّهِ. وَلَيْسَ كَذَلِكَ إِلاَّ حَارَ عَلَيْهِ
যদি কেউ কোন মানুষকে কুফুরির সাথে জড়িত করে আহহ্বান করে অথবা তাকে বলে হে আল্লাহর শত্রু আর সে তা না হয়, তবে তা বক্তার উপর বর্তবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬১
আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ন কুরআন সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা এই বইটি।
إِذَا كَفَّرَ الرَّجُلُ أَخَاهُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا যদি কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে কাফের বলে,তবে এ কথা দুজনের একজনের উপর প্রযোয্য হবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬০। আবু জার রা. বলেন, রাসূল সা. বরেছেন,
مَنْ دَعَا رَجُلاً بِالْكُفْرِ أَوْ قَالَ عَدُوَّ اللَّهِ. وَلَيْسَ كَذَلِكَ إِلاَّ حَارَ عَلَيْهِ
যদি কেউ কোন মানুষকে কুফুরির সাথে জড়িত করে আহহ্বান করে অথবা তাকে বলে হে আল্লাহর শত্রু আর সে তা না হয়, তবে তা বক্তার উপর বর্তবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬১
আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ন কুরআন সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা এই বইটি।