QA As Sunnah Q&A

আসসালামুআলাইকুম, বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ তাকে মাফ করে না। সুতরাং, আমি হক নষ্ট করেছি । এখন, উক্ত ব্যক্তিকে সেটা জানাতে পারবো না বা বলতে পারার মত অবস্থা নেই। তাই আমি কি করতে পারি তার এই হক…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক • প্রশ্ন #৩৪২৮ • ভিউ: ২০ • ১৮ জুন, ২০১৫

আসসালামুআলাইকুম, বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ তাকে মাফ করে না। সুতরাং, আমি হক নষ্ট করেছি । এখন, উক্ত ব্যক্তিকে সেটা জানাতে পারবো না বা বলতে পারার মত অবস্থা নেই। তাই আমি কি করতে পারি তার এই হক…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম, বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ তাকে মাফ করে না। সুতরাং, আমি হক নষ্ট করেছি । এখন, উক্ত ব্যক্তিকে সেটা জানাতে পারবো না বা বলতে পারার মত অবস্থা নেই। তাই আমি কি করতে পারি তার এই হক থেকে মুক্তি পেতে? আমি যার যার নামে গীবত করেছি তাদের অনেকের সাথে যোগাযোগ নেই । আমি কিভাবে এই গীবতের পাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি?
আমার অগোচরে অর্থাৎ আমি মনে করছি আমি কারো হক নষ্ট করছি না, কিন্তু আসলে কোন বান্দার হক নষ্ট হচ্ছে। আমি সেসব কি করে সেসব বান্দার হক থেকে মুক্তি পাব?
অর্থাৎ, জীবনে যত গবীত, বুঝে না বুঝে যত বান্দার হক নষ্ট করেছি তা থেকে কিভাবে মুক্তি পাব? দয়া করে উত্তর দিবেন?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার কাছে যদি কোন মানুষ টাকা পয়সা বা কোন সম্পদ পেয়ে থাকে কিংবা আপনি যদি কারো সম্পদ নষ্ট করে ফেলেন আর তাকে আপনি বলতে পারছেন না সেক্ষেত্রে আপনি অন্য কারো মাধ্যমে উক্ত সম্পদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবেন এবং ক্ষমা চেয়ে নিবেন। যার মাধ্যমে দিবেন তাকে বলবেন, সে যেন আপনার পরিচয় প্রকাশ না করে। অন্য কোন ভাবে কারো হক নষ্ট হলে (আপনি যেগুলো লিখেছেন), তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবেন, সম্ভব না হলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাবেন এবং ভষিষ্যতে যেন এমন অপরাধ আর না হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখবেন।