QA As Sunnah Q&A

আসসালামুয়ালাইকুম। আমি একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই নিয়ে পড়ছি। গেম বানানোর সখ নিয়ে এই ডিপার্টমেন্ট এ ভর্তি হওয়া। এখন আমার গ্রেজুয়েশনের আর দেড় বছর বাকি। আমি গেম নিয়ে কাজ করতে চাইলে আমাকে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক • প্রশ্ন #৩৪৯০ • ভিউ: ১৪ • ১৯ আগস্ট, ২০১৫

আসসালামুয়ালাইকুম। আমি একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই নিয়ে পড়ছি। গেম বানানোর সখ নিয়ে এই ডিপার্টমেন্ট এ ভর্তি হওয়া। এখন আমার গ্রেজুয়েশনের আর দেড় বছর বাকি। আমি গেম নিয়ে কাজ করতে চাইলে আমাকে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম। আমি একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই নিয়ে পড়ছি। গেম বানানোর সখ নিয়ে এই ডিপার্টমেন্ট এ ভর্তি হওয়া। এখন আমার গ্রেজুয়েশনের আর দেড় বছর বাকি। আমি গেম নিয়ে কাজ করতে চাইলে আমাকে এখন থেকেই শুরু করতে হবে। ছোটখাটো কয়েকটা গেমও বানিয়েছি। কিন্তু আমি একটা ব্যাপারে সন্দিহান। ইসলামিক নিয়ম অনুসারে এই গেম বানানোটা হালাল না হারাম। এই বিষয়টা কোথাও থেকে পরিষ্কার হতে পারছিনা। আর এই কারনে আমি এখনও দ্বিধায় আছি কি করব। এটা যদি আমাকে কেও বুঝিয়ে দিত যে গেম বানানো পুরোপুরি হারাম তাহলে আমি আমার ডিপার্টমেন্ট এর অন্য কোনো লাইনে মন দিতাম। আপনি আমাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করলে অনেক উপকৃত হতাম। এটা আমার ক্যারিয়ার এর সাথে জড়িত।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। গেম বানানো বা খেলা ইসলামের দৃষ্টিতে একটি অহেতুক ও অযথা কাজের অন্তর্ভূক্ত। আর আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ মূমিনরা সফলকাম, যারা তাদের সালাতে বিনয়ী এবং অযথা কাজ থেকে বিরত থাকে। সূরা মূমিনুন, আয়ত নং ১-৩। এই আয়াতের ভিত্তিতে বলা যায় গেম বানানো বা এ জাতীয় কাজ যেগুলো দুনিয়া বা আখেরাতের কোন কাজে আসে না তা থেকে বিরত থাকা দরকার। হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,إِنَّ الْحَلاَلَ بَيِّنٌ وَإِنَّ الْحَرَامَ بَيِّنٌ وَبَيْنَهُمَا مُشْتَبِهَاتٌ لاَ يَعْلَمُهُنَّ كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ وَمَنْ وَقَعَ فِى الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِى الْحَرَامِ নিশ্চয় হালালকাজগুলো বলে দেয়া হয়েছে এবং হারামগুলোও বলে দেয়া হয়েছে। এই দুয়ের মাঝে আছে সন্দেহযুক্ত বিষয়। অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। সুতরাং যে সন্দেহ থেকে বেচেঁ থাকবে সে তার ধর্ম ও সম্মানকে মুক্ত রাখবে আর যে সন্দেহের মধ্যে পতিত হবে (অর্থাৎ হালাল নাকি হারাম তা স্পষ্ট হচ্ছে না এমন সন্দেহ যুক্ত কোন কাজ করবে) সে হারাম কাজ করবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪১৭৮। এই হাদীসের ভিত্তিতেও বলা যায় আপনার এই কাজ থেকে বিরত থাকা উচিৎ। কারণ স্পষ্টভাবে গেমকে হারাম বলা না গেলেও এটা জায়েজ আছে এটা কিছুতেই বলা যায় না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।