ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামুআলাইকুম। হযরত আমি দীর্ঘ দিন যাবত একটি সমস্যা মনের ভিতর লালন করে আসছি। এই সমস্যার কারনে আমি মানসিক ভাবে অনেকটাই বিপর্যস্ত। আশা করি আপনি আমার সমস্যাগুলো পড়…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামুআলাইকুম। হযরত আমি দীর্ঘ দিন যাবত একটি সমস্যা মনের ভিতর লালন করে আসছি। এই সমস্যার কারনে আমি মানসিক ভাবে অনেকটাই বিপর্যস্ত। আশা করি আপনি আমার সমস্যাগুলো পড়ে আমাকে একটি সমাধানের পথ বাতলে দিবেন। হযরত আমি পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে, পারিবারিকভাবে একটি মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিবাহের পর পরই আমি জানতে পারি বিয়ের আগে অন্য একটি ছেলের সাথে মেয়েটির সম্পর্ক ছিল যা সে তার নিজ মুখে আমার কাছে স্বীকার করে। আমি তাকে সাবধান করি যেন পরবর্তীতে সে ঐ ছেলের সাথে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখে। সেও আমাকে কথা দেয় সে আর যোগাযোগ করবেনা। কিন্তু কিছুদিন পরেই সে ঐ ছেলের সাথে যোগাযোগ করতে শুরু করে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে তাকে মৌখিক শাসন করি। সে অনুত্প্ত হয় এবং আর কখনো হবেনা বলে স্বীকার করে। কিছুদিন যাওয়ার পরে সে পুনরায় আবার যোগাযোগ করতে শুরু করে। এইবারেও আমি তাকে মৌখিকভাবে শাসন করি এবং এও বলি যে সে যদি আর এমনটি করে তাহলে আমি তার সাথে সম্পর্ক রাখেবোনা। এবারও সে অনুতপ্ত হয় এবং আর করবেনা বলে স্বীকার করে। কিছুদিন পরে সে আবারো তা করতে শুরু করে যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি তাকে বলে ফেলি যে আমি তোমার সাথে আর সম্পর্ক রাখবোনা এবং আমি সম্পর্ক না রাখার ব্যাপারে ব্যাক্তিগতভাবে মনস্থ করে ফেলি। কিন্তু দুই পরিবারের মাঝে বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের সমঝোতায় ভবিষ্যতে আর এমনটি আর হবেনা এই মর্মে সম্পর্ক বিচ্ছেদ থেকে বিরত থাকি। এর বাইরে আরো একটি সমস্য হলো বিয়ের আগে এবং পরে আমি নামাযের ব্যাপারে উদাসীন ছিলাম। যে কারনে নিয়মিত সালাত আদায় করতাম না। তবে সালাত আদায় না করা যে গুনার কাজ এই ভয় আমার ছিলো। বর্তমানে আমি ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ার চেষ্টা করি। এমতবস্থায় আমাদের সম্পর্কটাকি বজায় রাখা জায়েজ হবে কিনা সে ব্যাপারে আমনার মতামত দিলে খুবই উপকৃত হবো এবং মানসিকভাবে শান্তি পাবো। আশা করি আমাকে নিরাশ করবেন না।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হ্যাঁ, আপনার জন্য বিবাহের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জায়েজ হবে। সমস্যা নেই। তবে আপনার স্ত্রীর যে বদ অভ্যাস হয়েছে সেটা ঠিক করা বড় মুশকিলের বিষয়। আমার পরামর্শ হলো তার কাছে মোবাইল রাখবেন না, আপনর বাবা-মায়ের সাথে বাড়িতে রাখবেন। শ্বশুর বাড়িও আপতত যেতে দিবেন না, কারণ ওখানে গিয়ে একা একা হয়ে আবার সমস্যা করবে। কোথাও একাকী যেতে দিবেন না।