ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি মো: মতিউর রহমান । পাক্শ, ঈশ্বরদী, পাবনা মোবা:-০১৭৪৯-৬৭৮১২১ ক) প্রশ্ন :-ঈমাম শাফিই (র:) এর মাযহাবের কোন ঈমামের পিছনে, হানাফি মাযহাবের কোন ব্যাক্তির নামায আদাই হবে কিনা? খ) ৪ মাযহাব বলতে ক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি মো: মতিউর রহমান । পাক্শ, ঈশ্বরদী, পাবনা মোবা:-০১৭৪৯-৬৭৮১২১ ক) প্রশ্ন :-ঈমাম শাফিই (র:) এর মাযহাবের কোন ঈমামের পিছনে, হানাফি মাযহাবের কোন ব্যাক্তির নামায আদাই হবে কিনা? খ) ৪ মাযহাব বলতে কি বুঝানো হয়েছে? গ) মাযহাবের কারনে আমলের কোন ভিন্নতা আছে কিনা, থাকলে কি কি?
উত্তর
Published
ইসলামের প্রথমযুগ থেকেই অর্থাৎ সাহাবীদের আমল থেকেই ফিকহী বিভিন্ন বিষয়ে আলেমগণের মাঝে মতভেদ বিদ্যমান। এই মতভেদের কারণ কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যার ভিন্নতা কিংবা একই বিষয়ে কয়েক ধরনের সহীহ হাদীস থাকা। আর ফিকহী এই মতভেদের ্নামই মাজহাব। প্রথমদিকে অনেকগুলো মাজহাব বিদ্যমান ছিল। এরপর কালের পরিক্রমায় প্রসিদ্ধ চারটি মাজহাব ছাড়া বাকীগুলো প্রায় হারিয়ে গেছে। প্রসিদ্ধ চারটি মাজহাব হলো হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী, হাম্বলী। এক মাজহাবের ইমামের পিছনে অন্য যে কোন মাজহাবের অনুসারীর নাময সহীহ হবে। মাজহাবের কারণে অর্থাৎ কুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যঅর ভিন্নতার কারণে এবং অনেক ক্ষেত্রে একই বিষয়ে কয়েক ধরনের হাদীস থাকার কারণে আমলের মাঝেও ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। আর এর কোন নির্দিষ্ট সংখা নেই। মনে রাখবেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য কুরআন ও সুন্নাহ মানা। মাজহাব কুরআন সুন্নাহ মানার একটি মাধ্যম। আর সাধারণ মানুষের পক্ষে কোন একটি মাজহাব (তা এই চার মাজহাব হোক কিংবা অন্য কোন একজন আলেমের মত হোক) মানতেই হয়, কেননা তার পক্ষে কুরআন হাদীস থেকে সরাসরি জানা সম্ভব নয়।