QA As Sunnah Q&A

যেকোন নফল রোযা রাখতে গিয়ে(যেমন প্রতি মাসে ১৩, ১৪,১৫ অথবা অন্য কোন নফল রোযা) যদি দিনের একটা অংশে গিয়ে খুব কষ্ট এবং দূর্বল অনুভব করার কারনে ভেংগে ফেললে কি কাফফারা দিতে হবে? অথবা আমি একজন চাকুর…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৩৯৯০ • ভিউ: ১১ • ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬

যেকোন নফল রোযা রাখতে গিয়ে(যেমন প্রতি মাসে ১৩, ১৪,১৫ অথবা অন্য কোন নফল রোযা) যদি দিনের একটা অংশে গিয়ে খুব কষ্ট এবং দূর্বল অনুভব করার কারনে ভেংগে ফেললে কি কাফফারা দিতে হবে? অথবা আমি একজন চাকুর…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
যেকোন নফল রোযা রাখতে গিয়ে(যেমন প্রতি মাসে ১৩, ১৪,১৫ অথবা অন্য কোন নফল রোযা) যদি দিনের একটা অংশে গিয়ে খুব কষ্ট এবং দূর্বল অনুভব করার কারনে ভেংগে ফেললে কি কাফফারা দিতে হবে?
অথবা আমি একজন চাকুরীজীবি। মাঝে মাঝে কাজের চাপ এবং কষ্টকর কাজ হয়ে থাকে যাতে স্বাভাবিকভাবে রোজা পালন করা অনেক কষ্টষাধ্য হয়ে যায়। এমতাবস্থায় সিয়ামের জন্য এরূপ নিয়াত হলে কোন কোন সমস্যা হবে? যেমন সাহরী খাওয়ার সময় নিয়াত করলাম যদি সম্ভব হয় রাখবো আর বেশী কষ্ট হলে ভেংগে ফেলবো।
উত্তর
Published
নফল রোজা ভেঙে ফেললে কাজা করত হয়। অর্থাৎ একটি রোজার বদলে একটি রোজা রাখতে হয়।