ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক যদিও দেশের সুদী অর্থনীতির নেতৃত্ব দিয়ে থাকে, এর অধিকাংশ বিভাগের (প্রায় ৭৫%) কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সুদের কোন সম্পর্ক নেই অর্থাৎ সুদ গ্রহণ, প্রদান, স…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক যদিও দেশের সুদী অর্থনীতির নেতৃত্ব দিয়ে থাকে, এর অধিকাংশ বিভাগের (প্রায় ৭৫%) কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সুদের কোন সম্পর্ক নেই অর্থাৎ সুদ গ্রহণ, প্রদান, সুদের হিসাব-নিকাশকরণ, লেখা, সাক্ষী হওয়া ইত্যাদি ব্যতিরেকেই এখানে পুরো ক্যারিয়ার চাকুরি করা সম্ভব। এমতাবস্থায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানে সুদের সাথে সরাসরি সম্পর্কহীন বিভাগে কাজ করা শরীয়াহ্-সম্মত হবে কি? বিশেষ করে এমন কারো জন্য যার চাকুরিতে প্রবেশের বয়স-সীমা (সরকার নির্ধারিত) শেষ হয়েছে।
উত্তর
Published
আপনার কাজের সাথে সুদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই এটাকে হারাম বলা কঠিন। অন্য কোনো সুযোগ না থাকলে এ চাকরী করা যাবে বলেই মনে হয়। তবে সাধারণ নিয়ম হলো যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শাখার কর্মকর্তাকে অন্য শাখায় বদলী করা হয়। এভাবে আপনাকে যে কোনো সময়ে সুদ লেখা বা সুদের হিসাবের মধ্যে প্রবেশ করতে হতে পারে। সর্বাবস্থায় এটি বর্জন করতে পারলে ভাল।