ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
ঘুম থেকে উঠতে না পারায় তাহাজ্জুদ ও বিতির সালাত কি করে পড়তে হয়? নিয়ত কেমন হবে বিতিরের ও কয় রাকাত পরবো এবং দোয়া কুনুত কখন পরবো? জানাবেন
উত্তর
Published
আপনার প্রশ্ন স্পষ্ট নয়। আপনি যদি ফজরের সময় ঘুম থেকে জাগ্রত হন, তাহলে তো আর আপনি বিতর ও তাহাজ্জুদ পড়তে পারবেন না। আর যদি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার ব্যাপার আস্থাবান না হন তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক রাকআত নফল সালাত আদায় করে বিতর পড়বেন। আমাদের সমাজে যেভাবে বিতর পড়া হয় সেভাবেই বিতর পড়বেন। পরিভাষায় তাহাজ্জুদ বলা হয় ঘুম থেকে উঠে যে সালাত আদায় করা হয় তাকে, ঘুমের আগে পড়লে তাকে কিয়ামুল লাইল বলা যায়, তাহাজ্জুদ বলা হয় না।নিয়ত হৃদয়ের বিষয়, যে সালাতা আদায় করবেন হৃদয়ে সেই সালাতের বিষয়টি আসতে হবে।