ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সলমু আলাইকুম স্যার, আমার বিয়ে হয়েছে ৮ বছর চলছে, পারিবারিক ভাবে, আমার স্বামী অশিক্ষিত, বাংলা ও পড়েনি কোরআন পড়েনি, এবং খুবই মুরখ, আর গরিব, গরিব আল্লাহ করেছেন, কিন্ত সুন্নাহ বুজেনা, বিয়…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সলমু আলাইকুম স্যার, আমার বিয়ে হয়েছে ৮ বছর চলছে, পারিবারিক ভাবে, আমার স্বামী অশিক্ষিত, বাংলা ও পড়েনি কোরআন পড়েনি, এবং খুবই মুরখ, আর গরিব, গরিব আল্লাহ করেছেন, কিন্ত সুন্নাহ বুজেনা, বিয়ের সময় দেন-মোহর ৫ লক্ষ টাকা উসল দারয্য করে বিয়ে হয় কিন্ত উনি আমাকে বিয়ের রাতে ৩শত টাকা দিয়ে মাফ চায় আমি উনাকে বুজিয়ে পারিনি, এখনও আমার দেন-মোহর পরিশোধ করেরনি, উনি বলেন বাপ দাদা বিয়ে করেছেন এই ভাবে এসব উনি মানেন না, আমি হাদীস বললে আমাকে বলেন আমি কমি, আগে নামাজ পড়তেন না এখন পড়েন. আমাকে গালা-গালি ও করেন মা বাবা তুলে, মাঝে মধ্য আমাকে মারেন, আর ও কিছু বিষয় আছে যা উনি করেন তা বলার মত নয়, খাওয়ার কুটা দেন. আমার সারে ৪ বছরের একটা মেয়ে ও আছে, উনি সুন্নাহ একদম বুজতে চায় না, কথায় কথায় বলে যে অন্য কারো কাছে চলে যা, তরে দিয়ে আমার চলবে না, মিথ্যা কথা বলেন ও কথা রাখেনা আমি খুবই অশান্তিতে আছি, আমি কি করব বুজতে পারছিনা
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দেখুন এই সব অশান্তি একদিনে সৃষ্টি হয় না। বহুদিন ধরে বহুজনের কার্যকালাপের মাধ্যম্যে সৃষ্টি হয়। আপনার স্বামী যেহেুত গরীব তাহলে ৫ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য্য হবে কেন? গরীব মানুষের পক্ষে কী এখন থেকে ৮ বছর আগে ৫ লক্ষ টাকা দেয়া সম্ভব ছিল? যদি সম্ভব না হয় তাহলে আপনার অভিভাবক আপনাকে কেন এখানে বিয়ে দিলো? শুধু স্বামীর মূর্খতা দেখলেন, আপনার পিতা-মাতার মূর্খতা দেখলেন না। যখন তার পক্ষে ৫ লক্ষ টাকা দেয়া সম্ভব নয় তখন ৫ লক্ষ টাকা চাওয়া কি মুর্খতা এবং সংসারে অশান্তির অন্যতম কারণ নয়? যার ৩০০ টাকা দেয়ার সামর্থ্য থাকে তার কাছে লাখ লাখ টাকা চাওয়া হলে শান্তি কখনোই আসবে না। আগে নামায পড়তেন না, একখন পড়ে, মানে ভালোর লক্ষন। এখন দাবী দাওয়া ছাড়ুন, সব বিষয়য়ে ছাড় দিয়ে সংসারে শান্তি নিয়ে আসার চিন্তা করুন। দাবী-দাওয়া বাদে অন্যান্য ইবাদতে তাকে অভ্যস্ত করার চেষ্টা করুন। যে ভুল আপনারা সকলে করেছেন একজনের উপর তা চাপানোর চেষ্টা আপাতত বাদ দিন। সে মূর্খ ঠিক আছে কিন্তু আপনার শিক্ষিত হয়ে মূর্খের মত আচরণ করবেন না।