ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নটি হলোঃ আল্লাহ তায়ালার নামে ইচ্ছাকৃতভাবে শিরকমূলক এবং গালিমূলক কথা বলার আগে এসব কথা বলার জন্য যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেই নিজের জন্য আল্লাহর কাছে শাস্তি চায় এবং আ…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নটি হলোঃ আল্লাহ তায়ালার নামে ইচ্ছাকৃতভাবে শিরকমূলক এবং গালিমূলক কথা বলার আগে এসব কথা বলার জন্য যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেই নিজের জন্য আল্লাহর কাছে শাস্তি চায় এবং আল্লাহকে বলে আমি যে শাস্তিটি চাইলাম এই শাস্তি বিষয়ক কোনো কথা যেমন নিজের কামনাকৃত শাস্তিটি মওকুফ বিষয়ক কোনো কথা তুমি (আল্লাহ) গ্রহণ করবা না। এরপর যদি সে আল্লাহর সাথে সেই শিরকের কথা এবং গালিগুলি বলে ফেলে তাহলে কিভাবে সে নিজের কামনাকৃত শাস্তিটি থেকে বাঁচতে পারে? যদি সে তওবা করার পরও উক্ত পুরো বিষয়টি বারবার করতে থাকে তাহলে সে কিভাবে নিজের কামনাকৃত শাস্তি থেকে বাঁচতে পারবে? সকল মাজহাব,ইমাম এবং ইসলামের সকল দল উপরোক্ত প্রশ্নসমূহের ক্ষেত্রে কি একই উত্তর দেয়?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। তওবা করাই একমাত্র বাঁচার উপায়। খাঁটি মনে আল্লাহর কাছে তওবা করে সকল পাপ ছেড়ে দিবে। আর যদি তওবার নামে ফাজলামি করে তাহলে শাস্তি থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই।